শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভূঞাপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের দায়ে তিনজনকে জরিমানা ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে ধরা পড়েছে ৩৩ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছ মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার গ্রেফতার-১ ভূঞাপুরে জুলাই যোদ্ধা ও ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য হাছানকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার ভূঞাপুরে তিন মাদকসেবীকে চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘাটাইল লোকেরপাড়া আলহাজ্ব হাফেজ শায়খ আনিসুর রহমান খান(রাহি:) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা মুহাম্মাদিয়া হাফিজিয়া ও নুরানী শিক্ষার্থীদের ছবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অবশেষে বদলি করা হলো  সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়া সেই পরিদর্শকাকে ভূঞাপুর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে পোস্ট সংবাদকর্মীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ভূঞাপুরে একটি ট্রাকভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ভূঞাপুরে যমুনায় অনুমোদনবিহীনভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৭ জনকে ৪ লাখ টাকা অর্থদন্ড
ভূঞাপুরে ক্রেতার মাছ কেটেই চলে গফুরের সংসার
/ ৪৯ Time View
Update : রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২২, ৩:১৩ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সকাল ও বিকালে বসে মাছের বাজার । সকালে ভূঞাপুরে উত্তরে ভূঞাপুর মাছের আরত বিকালে দারোগ আলী কাঁচা বাজার মাছের আরত বসে।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার দিকে এক ক্রেতাার মাছ কেটে দিচ্ছিলেন গফুর ( ৫০)। পাশে দাড়িয়ে ছিলেন ক্রেতা আরফান আলী কাটা মাছগুলোর টুকরা কতটুকু বড়-ছোট হবে তা দেখিয়ে দিচ্ছিলেন। জানা গেল বাজার থেকে ৩৫০ টাকা কেজি ধরে সাড়ে ৩ কেজি মাছ ১হাজার ২ শত ২৫ টায় একটি কাতলা মাছ কিনেছেন তিনি। মাছ কেনার পর শীতে রাতে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে কাটাকাটি ঝামেলা পেহানো চাইতে মাছের বাজারেই কাটার ব্যবস্থা করেছেন। মাছটি কেটে দিতে ৪০ টাকা চুক্তি হয়েছে তার। ভূঞাপুর সকাল-বিকাল বাজারে গফুরের মত অপরের ( ক্রেতার) কেনা মাছ কেটে দিচ্ছে আরো কয়েক জন। এভাবে মাছ কেটে দিয়েই চলে তাদের সংসার। প্রতিদিন এভাবে অন্যের মাছ কেটে ৪/৫ শত টাকার উপরে আয় করে তারা। মাছ কেটে দিচ্ছে গফুর কথা হয় তার সাথে, প্রতিদিন যা আয় করি তাতে পরিবার নিয়ে ভালোই চলছে সংসার। তবে শুক্রবার ও শনিবার ক্রেতা বেশি থাকায় আয়ও একটু বেশি হয়। মাছ ছোট-বড়, কম-বেশির উপর মাছ কাটার টাকা নির্ধারণ করা হয়। ছোট মাছ কাটতে সময় বেশি লাগায় সেগুলোর পারিশ্রমিক বেশি নেওয়া হয়। প্রতিদিন ৪/৫ শত টাকা মাছ কেটে আয় করছে মাসে ১৫ /১৬ হাজার টাকা ইন-কাম করা যায়। এ আয় থেকে বাজার চাঁদা ছাড়া অন্য কোন খরচ না থাকায় প্রায় সবটাই সংসারের অন্য কাজে খরচ করা যায়। তবে মাঝে মাঝে এ কাজে কিছুটা ভাটা পড়ে । তখন আয় অনেকটা কমে যায়। মাছ কাটায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে ভূঞাপুর বাজারের আড়তে তাঁরা ভাড়া দিয়ে বসেন। বসার বা ভিটির জন্য প্রতিদিন নির্দিষ্ট হারে চাঁদা দিতে হয় তাদের। দৈনিক হিসাবে চাাঁদা দিতে জন প্রতি ৪০ টাকা । প্রতিদিন সকাল ৬ টা হতে বেলা ১১ টা ও বিকেল ২ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত থাকেন তারা। মাছ কাটার কোন নির্ধারিত কোন ফিস নাই । ক্রেতা ভেদে যার কাছ থেকে যা নিতে পারে তারা। বাজার ঘুরে দেখা গেল মাছ কাটা নিয়ে ব্যস্ত কয়েক মাছ কাটানিরা। এসময় অনেক দর্শকদের দেখতে পাওয়া যায় সেখানে ভিড় জমাতে । ছেলেরা কত সুন্দর করে মাছ কাটছে এ নিয়ে অনেকে অভাক নয়নে তাকিয়ে থাকে মাছ কাটানিদের দিকে। মাছ কাটতে নিয়ে আসা মাছগুলোর আশঁ স্টীলের দাঁড় যুক্ত আশঁ ছাড়ানো যন্ত্র নিয়ে সুন্দর ভাবে আশঁ ছাড়িয়ে তারা মাছগুলো কেটে মালিককে বুজিয়ে দেন । এভাবেই চলে প্রতিদিন মাছি কাটারিদের কাজ। সরেজমিনে দেখা গেল গফুর হোটেলের ৭/৮ কেজি রুই মাছ কাটার অর্ডার পেলেন। কত টাকা পারিশ্রমিক পাবেন জিজ্ঞেস করতেই মুচকি হেসে বললেন কাটা শেষ করি যা ইচ্ছে দিবেনই।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page