আব্দুর রহীম মিঞা, ভূঞাপুর ঃ টাঙ্গাইলে ভুঞাপুরে পাগলা কুকুরের কামড়ে মহিলা,যুবক, বৃদ্ধসহ ৮ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) ভূঞাপুর পৌরসভার কাঁচা বাজার এলাকায় দিনে-রাতে দু’দফা কুকুড়ে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, কাাঁচা বাজার এলাকায় দুপুরের দিকে এলাকার লোকজন প্রয়োজনীয় কাজে চলাচল করতে থাকলে একটি পাগলা কুকুর এলো পাথারি কামড়াতে থাকে। এ সময় ৫ জন আহত হয় । একই দিন রাত ৯টার দিকে একই এলাকায় মোঃ জাহাঙ্গীর নামে একজনকে কাঁচার বাজার এলাকায় আক্রমণ করে তার ডান পায়ে কামড়ি ধরে। তার ডাক চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এলে আরো দুই জনকে কামড়িয়ে কুকুরটি পালিয়ে যায়। এদের মধ্যে কুকুরের কামুড়ে আক্রান্ত ৪ জন ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী বিভাগের চিকিৎসা নেন। বাকীরা বাড়ীতে চিকিৎসা নিচেছ বলে জানা যায়। ককুরে কামড়ে আক্রান্ত হওয়া এবং ভূঞাপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ায় এদের মধ্যে ৪ জনে পরিচয় পাওয়া গেছে । এরা হলেন কুকাদাইর এলাকার সরবেশ আলীর স্ত্রী ছালেহা বেগম (৫০) বাগবাড়ী এলাকার শফিকুর রহমানের ছেলে মোঃ জনি (৩০) রাউদবাড়ী এলাকার আল আমীনের স্ত্রী সুমাইয়া (২৫) ছাব্বিশা এলাকার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন। ভুক্তভোগী ছালেহা জানান তিনি সন্ধ্যায় গারাবাড়ী গু”ছ গ্রামের উদ্দ্যেশে কুকাদাইরের বেড়িবাধ এলাকা থেকে রওনা হয়ে ভূঞাপুরের কাঁচা বাজার এলাকায় পৌছাইলে তিনি কিছু বুজে উঠার আগে একটি কুকুর এসে আমার পরনের কাপড় কামড়ে ধরে। আমি কুকুরের আক্রমন থেকে বাঁচতে চেষ্টা করলে আমার হাত পা কামড়িয়ে দেয়।এতে সে গুরুত্ব আহত হলে হাসপাতালে নিয়ে ডাক্তারের পরামর্শে ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে । তিনি বলেন,উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুরের কামড়ের ভ্যাকসিন না থাকায় বাহির থেকে কিনে আনতে হয়েছে। হাসপাতাল থেকে কোন ঔষধ দেয়া হয় না্ই।কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ শুভ রাণী পাল বলেন, একই দিনে ভূঞাপুরে বেশ কয়েক জনকে কুকুরে কামড়িয়েছে বলে জেনেছি । কিন্ত আমি কর্মরত থাকা অবস্থায় রাতে জরুরী বিভাগে ৪ জন কুকুরের কামড়ানো রোগী আসে তাদেরকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।


