শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভূঞাপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের দায়ে তিনজনকে জরিমানা ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে ধরা পড়েছে ৩৩ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছ মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার গ্রেফতার-১ ভূঞাপুরে জুলাই যোদ্ধা ও ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য হাছানকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার ভূঞাপুরে তিন মাদকসেবীকে চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘাটাইল লোকেরপাড়া আলহাজ্ব হাফেজ শায়খ আনিসুর রহমান খান(রাহি:) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা মুহাম্মাদিয়া হাফিজিয়া ও নুরানী শিক্ষার্থীদের ছবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অবশেষে বদলি করা হলো  সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়া সেই পরিদর্শকাকে ভূঞাপুর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে পোস্ট সংবাদকর্মীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ভূঞাপুরে একটি ট্রাকভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ভূঞাপুরে যমুনায় অনুমোদনবিহীনভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৭ জনকে ৪ লাখ টাকা অর্থদন্ড
ভূঞাপুরে বেশি দামে সার বিক্রি সরিষার আবাদ ব্যহৃত হওয়ার শঙ্কা
/ ৪৮ Time View
Update : বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০২২, ৪:০৭ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক:টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে চলতি রবি মৌসুমে শস্যের জমিতে ব্যপকহারে সরিষার চাষের উদ্দ্যেগ নিয়েছে কৃষক। এ সময়ে কৃষকের সারের চাহিদাও ব্যপক। এ জন্য ইউরিয়া থেকে শুরু করে সব ধরণের সার কিনতে হচ্ছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বস্তা প্রতি বেশি দাম দিয়ে। কৃষকরা বলছে সার,বীজ, হালচাষ সব মিলিয়ে এবার খরচ বেশি হচ্ছে।

রবি শস্যের মৌসুমে জমিতে সার প্রয়োগের জন্য কৃষকের কাছে টিএসপি ,এমও পি , ইউরিয়া সার বেশি দামে বিক্রি করছে ডিলার ও খুচরা বিক্রিতেরা। দোকানে খুচরা বিক্রেতারা প্রতি কেজি সার ৫ থেকে ৭ টাকা করে বেশি নিচ্ছেন। ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন রবি শস্য চাষের মৌসুমের কৃষকরা । ভূঞাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানাযায়, এ বছর ২ হাজার ১০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হবে আশা করা হচ্ছে। এলাকার কৃষকরা এখন জমি তৈরি ও বীজ বপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সরিষার বীজ বপনের সময় টিএসপি, এমওপি, ও ইউরিয়া সার প্রযোগ করতে হয়। উপজেলায় বিসিআইসির ১১ টি নির্ধারিত ডিলার রয়েছে, আর জেলা কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায় বিসিআইসির ১শত ৫০ জনের অধিক ডিলারের মাধ্যমে সার সরবরাহ করা হয়। পরে ডিলারদের কাছ থেকে সারের বস্তা কিনে খুচরা বিক্রি করেন ব্যবসায়ীরা। সরকার প্রতিবস্তা ইউরিয়া ১১ শত (৫০কেজি) টিএসপি এক বস্তা ১১ শত টাকা (৫০কেজি), এমপিও বস্তা ৭৫০ শত টাকা (৫০কেজি) ডিএ পি ৮ শত টাকা নির্ধারণ করেছে। এ হিসাবে প্রতি কেজি টিএসপি,২২ টাকা,প্রতি কেজি এমওপি ১৫ টাকা , ইউরিয়া ২২ টাকায় বিক্রি করার কথা। কিন্তু প্রতি কেজি টিএসপি ২৫ থেকে ২৭ টাকা এবং প্রতি কেজি এমওপি ২০ থেকে ২২ টাকা , ইউরিয়া প্রতিকেজি ২৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ কৃষি বিভাগের কোন তদারকি না থাকায় সরকার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে সার বিক্রি করা হচ্ছে কৃষকদের কাছে। খুচরা বিক্রেতারা তাঁদের কাছ থেকে সারের দাম বেশি নিচ্ছে।কৃষকদের অভিযোগ ডিলার ছাড়া অন্য কোথাও সার না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে বেশি দামেই সার কিনতে হচ্ছে। এতে করে ফসল উৎপাদন ব্যহৃত হচ্ছে। ভূঞাপুর উপজেলার ঝনঝনিয়া গ্রামের কৃষক মনির হোসেন বলেন, ডিলার ও খুচরা সার বিক্রেতারা তাদের দোকানে লোক দেখানোর জন্য মূল্য তালিকা টাঙিয়ে রেখেছেন্, কিন্তু সেই দামে সার বিক্রি করছেন না । তারা প্রতি কেজি টিএসপি ২৫থেকে ২৭ এমওপি ২০ থেকে ২৫ টাকা ইউরিয়া ২৫ টাকায় বিক্রি করছে।স্থানীয় লোকজন প্রতিবাদ করে কোন লাভ হচ্ছে না বরং শক্রতা সৃষ্টি হচ্ছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। টেপিবাড়ীর গ্রামের কৃষক হুরমুজ আলী বলেন, বর্তমানে সারের যে দাম সরকার নির্ধারণ করেছে তার চাইতে ডিলাররা বেশি দামে সার বিক্রি করছে । তার ভাষায় ডিলাররা বলেন, প্রয়োজন হলে ওই দামে সার নেন,না হলে অন্য কোথাও দেখেন। উপজেলার বামন হাটা গ্রামের মোঃ মহি উদ্দিন খান জানান, ৫ কেজি ইউরিয়া ১২০ টাকা (বস্তা ১২০০ টাকা) টিএসপি ৫ কেজি ১২০ টাকা (বস্তা ১২০০ টাকা) ক্রয় করেছেন। ফলদা ঘোনা পাড়া সার বিক্রেতা মোঃ সোহেল জানান, তিনি পুর্ণ বস্তা সরকারি নির্ধারিত মূল্যেই আর ঘার্তি পোসানো জন্য খোলা ভাবে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। ভূঞাপুরের সার ডিলার মতিয়ার রহমান বলেন,কৃষকদেরকে সার দিতে পারছি তাইতো বেশি। সারের বস্তা ছিঁড়া থাকে , সার বহনের সময় ঘরেও অনেক সার অপচর হয় । বেশি দামের বিক্রির কথাটি শিকার করতে চাননি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. মোঃ হুমায়ন কবীর জানান,“ প্রতিনিয়ত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে । উপজেলায় বিসিআইসির ১১ টি নির্ধারিত ডিলার রয়েছে, তাদের দোকানে দোকানে মূল্য তালিকা টাঙিয়ে রাখা নির্দেশনা রয়েছে। ক্রেতারা যখন সার কয় করবেন তখন সঙ্গে রশিদ নিতে হবে ডিলাদের কাছ থেকে। কোন বিক্রেতা কৃষেেকদর কাছ থেকে দাম বেশি নিচ্ছে, তা কেউ জানালে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে”। জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আহসানুল বাসার জানান,“ নিয়মিত বাজার তদারকি করা হচ্ছে ।জেলার কোথাও সারের দাম বেশি নেওয়া হচ্ছে না । সরকার নির্ধারিত দামেই সার বিক্রি হচ্ছে।বেশি নেওয়া হচ্ছে কেউ জানালে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে”

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page