শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভূঞাপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের দায়ে তিনজনকে জরিমানা ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে ধরা পড়েছে ৩৩ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছ মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার গ্রেফতার-১ ভূঞাপুরে জুলাই যোদ্ধা ও ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য হাছানকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার ভূঞাপুরে তিন মাদকসেবীকে চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘাটাইল লোকেরপাড়া আলহাজ্ব হাফেজ শায়খ আনিসুর রহমান খান(রাহি:) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা মুহাম্মাদিয়া হাফিজিয়া ও নুরানী শিক্ষার্থীদের ছবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অবশেষে বদলি করা হলো  সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়া সেই পরিদর্শকাকে ভূঞাপুর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে পোস্ট সংবাদকর্মীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ভূঞাপুরে একটি ট্রাকভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ভূঞাপুরে যমুনায় অনুমোদনবিহীনভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৭ জনকে ৪ লাখ টাকা অর্থদন্ড
ভূঞাপুরে যমুনা নদীতেপানি বাড়ার সাথে সাথেই নদী ভাঙ্গনের কবলে এলাকাবাসী
/ ৩৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২০, ৯:৩২ পূর্বাহ্ন

কোরবান আলী তালুকদার, ভূঞাপুর : টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে গত বছর বন্যার কারণে ব্যাপক ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়েছিল। তাতে শতশত পরিবার তাদের বসতবাড়ি হারিয়েছে। ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। সম্প্রতি যমুনা নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে আর তাতে ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে। নতুন করে পানি বাড়ার ফলে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খানুরবাড়ী, কষ্টাপাড়া ও ভালকুটিয়া গ্রামে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে নদীপাড়ে বসবাসরত লোকজন। হুমকির মুখে রয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, মন্দির, পোল্ট্রি খামার সহ শতশত পরিবার। ইতিমধ্যে ১টি মসজিদ নদীগর্ভে বিলীণ হয়ে গেছে।

সরেজমিনে জানা যায়, গত বছর বন্যায় উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের যমুনা নদীর ভাঙ্গনে বসতভিটা হারিয়ে গৃহহীন হয়ে অসহায় জীবন-যাপন করছে শতশত পরিবার। গত বছর খানুরবাড়িতে দুইশ মিটার নামমাত্র জিওব্যাগ ফেলে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড। যা ভাঙ্গনরোধে কোনো কাজেই আসেনি। এতে সরকারের কোটি কোটি টাকা পানিতে চলে গেছে। তবে যমুনা নদী থেকে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে ভাঙ্গনের তীব্রতা আরো বাড়বে বলে জানায় এলাকাবাসীরা। এ থেকে রক্ষা পেতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ অতি জরুরী বলে মনে করছেন স্থানীয় জনগণ।

খানুরবাড়ি গ্রামের রেজিয়া বেগম বলেন, গত বছর বন্যা ও ভাঙ্গনের ফলে মাথা গোঁজার যে জায়গা টুকু ছিল তা যমুনার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখন আমরা অন্যের জায়গায় ঘর উঠিয়ে বসবাস করতেছি। গত বছর কিছু ব্যাগ ভর্তি মাটি ফেলেছিল কিন্তু ড্রেজার মেশিন দিয়ে মাটি তোলার কারণে বেশির ভাগ বস্তা ভেঙ্গে পড়ে গেছে।

অন্যদিকে ভালকুটিয়া গ্রামের আমিনুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, খানুরবাড়ী গ্রামের কিছু জায়গায় জিওব্যাগ ফেলা হয়েছিল, আর সে সব স্থানে ক্ষণিকের জন্য ভাঙ্গন বন্ধ ছিল। কিন্তু এ বছর নতুন করে পানি ভাড়ার সাথে সাথেই নদী ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে আমাদের ভালকুটিয়া গ্রামে কোন জিওব্যাগ ফেলা হয়নি বিধায় নতুন করে আবার তীব্র ভাঙ্গন শুরু হয়েছে।

গোবিন্দাসী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, গোবিন্দাসী  ইউনিয়নের খানুরবাড়ী থেকে ভালকুটিয়া পর্যন্ত প্রায় ৫০০ ঘরবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এই মুহূর্তে স্থায়ী বাঁধ দিতে না পারলে খানুরবাড়ী, কষ্টাপাড়া ও ভালকুটিয়া গ্রামসহ গোবিন্দাসী বাজারও নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। তিনি আরো বলেন, আমি এমপি মহোদ্বয়কে অবগত করেছি, আশা করি তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নিবেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির ভালকুটিয়া স্কুল মাঠে ত্রাণ বিতরণ কালে বলেন, করোনার কারণে আমরা সবাই ত্রাণ কার্যক্রমে ব্যস্ত রয়েছি। আপনাদের এলাকায় অর্থনৈতিক জোন হবে এবং স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হবে যাতে এই এলাকার মানুষকে আর নদী ভাঙ্গনের কবলে না পরতে হয়। প্রাণঘাতী করোনার কারণে কাজটি স্থগিত রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অতি দ্রুতই বাঁধের কাজ শুরু হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page