নিজস্ব প্রতিবেদক: টানা তিনদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মত টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে শৈত্য প্রবাহের সাথে বেড়েছে জনদূর্ভোগ। এ অঞ্চলে এখনও পর্যন্ত সূর্যের আলো দেখা যায়নি। শীতের তীব্রতা সাধারণ মানুষের সহ্য ক্ষমতার বাহিরে চলে গিয়েছে। মানুষ সময় মত কোন কাজে বের হতে পারছেনা। ফলে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যহত হচ্ছে। তাঁত শিল্প প্রধান এই উপজেলার অধিকাংশ মালিক ঋন খেলাপি হওয়ার কারণে বেশিরভাগ শিল্প কারখানা বন্ধ থাকায় মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে।

বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের দূর্ভোগের সীমা ছেড়ে গেছে। শীতের বস্ত্র কেনার মত সাধ্য না থাকায় খড়কুটা দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিধন করার চেষ্টা করছে। নিম্ন আয়ের মানুষগুলো ভীড় জমাচ্ছেন ফুটপাতের দোকানগুলিতে। উপজেলা ভূঞাপুর গোবিন্দাসী ইউনিয়নের যমুনা নদীর কোল ঘেঁষে বাড়ি আব্দুল আলীম জানান, আমরা ভূঞাপুর উপজেলার চরাঞ্চলের মানুষ। নদী ভাঙ্গনের কারণে বেশিরভাগ মানুষ দরিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে। যেখানে দু বেলা খাবারের যোগান দিতে হিমসিম খেতে হয়। আর সেই খানকার মানুষ কিভাবে শীতবস্ত্র কিনবে? আমাদের এই কষ্ট দেখার কে আছে। আমাদের বাড়ি ঘর ভেঙে যাচ্ছে দেখার কেউ নেই ।
নিকরাইল ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য বাচ্চু আলী জানান, চরাঞ্চলের মানুষের শীতের বস্ত্র কেনার মত সামর্থ্য নেই। তাই তারা প্রতিনিয়ত শীতের কষ্ট নিয়ে দিন পার করছে। এদের সহযোগিতা জন্য সমাজের বৃত্তবানদের এগিয়ে আসা দরকার। সেই সাথে যদি সরকারী বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যদি এগিয়ে আসে তাহলে এই অসহায় মানুষগুলোর শীত কিছুটা হলেও লাগব হবে। ইউপি সদস্য আব্দুল কাদের তালুকদার বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষের শীতের বস্ত্র নেই। প্রচন্ড শীতে মানুষ ঠিকমত কাজে বের হতে পারছেনা। যদি সরকারসহ জনপ্রতিধি এগিয়ে আসে তাহলে অসহায়দের শীত বস্ত্রের ব্যবস্থা হবে। এ বিষয়ে ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ নাসরীন পারভীন বলেন, কিছু শীতবস্ত্র এসেছিল যা উপজেলা চেয়ারম্যান, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাঠানো হয়েছে। আশা করি খুব শ্রীঘ্রই আরও কিছু শীতবস্ত্র আসবে এবং তা দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করা হবে। তবে সমাজের যারা বিত্তবান রয়েছে ও পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো শীতার্থদের জন্য এগিয়ে আসলে অনেকটা উপকারে


