নিজস্ব প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কলেজছাত্রীকে নিয়োমিত ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান অভিযুক্ত রুবেল (২৫) ও তার সহযোগী ওসমান গনিকে(৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।গ্রেফতারকৃতরা উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের খরক গ্রামের বাসিন্দা।

জানা যায়, রুবেলের সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয় ওই কলেজছাত্রীর। নিয়মিত চলতে থাকে তাদের কথোপকথন, হয় দেখা সাক্ষাৎও৷ ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক মেলামেশায় জড়িয়ে পড়ে তারা।প্রেমের ফাঁদে ফেলে নিয়োমিত ধর্ষণ এবং ভিডিও ধারণ করে। সেই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে তাকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়।।এদিকে মেয়েটি বাড়িতে না আসায় আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করে তার পরিবার। কোথাও না পেয়ে গত ৩০ মে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে ওই ছাত্রীর মা গত ৫ জুন ভূঞাপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।জিডির প্রেক্ষিতে বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেন ভূঞাপুর থানার এসআই ফাহিম ফয়সাল। নিখোঁজ হওয়া মেযটির প্রেমিকের মোবাইল নাম্বারের সূত্র ধরে অভিযান চালায় পুলিশের একটি টিম। পরে বুধবার (৮ জুন) চট্রগ্রামের একটি বাসা থেকে অভিযুক্ত রুবেল ও তার সহযোগী ওসমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই সঙ্গে কলেজছাত্রীকেও উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বৃহস্পতিবার (৯ জুন) রাতে রুবেলের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফী আইনে মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগী কলেছাত্রীর মা।এ ব্যাপারে ভূঞাপুর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত যুবকটি কলেজছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ এবং ভিডিও ধারণ করে। সেই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে তাকে নিয়ে চট্রগ্রামে চলে যায়। সেখানেও ধর্ষণের শিকার হয় কলেজছাত্রী। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বখাটে রুবেল ও তার সহযোগী ওসমানকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্ত রুবেল ও তার সহযোগীকে শুক্রবার (১০ জুন) সকালে টাঙ্গাইল জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তার ফোনে মেয়েটির একাধিক ছবি পাওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শনিবার (১১ জুন) আদালতের কাছে রিমান্ড চাওয়া হবে। এছাড়া মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


