নিজস্ব প্রতিবেদকঃ টানা কয়েক দিনের বর্ষনে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনায় প্রতিদিনই অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে পানি। এতে করে উপজেলার প্রায় ৪টি ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রামের চরাঞ্চলে বন্যার পানি ঢুকে প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল।

শুরু হয়েছে আবারও তীব্র ভাঙন। তলিয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি।স্থানীয়রা জানায়, সাতদিন ধরে টানা বৃষ্টির পানি বেড়ে বন্যার ভয়াবহ অাকার ধারন করেছে । এতে যমুনার তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বহু নিম্নাঞ্চল ইতিমধ্যেই প্লাবিত হয়েছে। বিশেষ করে ভূঞাপুরের ৪টি ইউনিয়ন গাবসারা, অর্জুনা, গোবিন্দাসী ও নিকরাইল ইউনিয়নের চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে অবনতি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। দেখা দিয়েছে দুই কিলোমিটার এলাকা জুড়ে তীব্র ভাঙন। বিশেষ করে গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খানুরবাড়ি, কষ্টাপাড়া, ভালকুটিয়া, চিতুলিয়াপাড়া, এছাড়াও অর্জুনা, কুটিবয়ড়া এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙ্গন। এতে করে ঝুঁকিতে রয়েছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির।
কষ্টাপাড়া গ্রামের মো.রফিকুল ইসলাম বলেন, যমুনার নদীরগর্ভে ইতিমধ্যে আমার বসতভিটা চলে গেছে। তাই এই ভাঙন থেকে এলাকাকে বাঁচাতে হলে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করতে হবে। এ ছাড়াও বন্যার পানি প্রবেশ করায় চারটি ইউনিয়নের অধিকাংশ কৃষি জমির সমস্ত ফসল এখন পানির নিচে। এতে বহু কৃষকের পাট, আউশ ধান, তিল, তিশি, কাউন, বাদাম, ধনে সজ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও গো-খাদ্যের সংকটও।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্ববাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম প্রতিদিনের সংবাদকে জানান, যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এতে বন্যার আশংকা বাড়ছে। এছাড়াও ভূঞাপুরে ভাঙন এলাকায় জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে।পরবর্তীতে কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


