নিজস্ব প্রতিবেদকঃটাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে বাংলা ড্রেজার দিয়ে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ২১ এপ্রিল বুধবার র্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে জগৎপুরা বালুঘাট থেকে বালু উত্তোলন ও বিক্রির সময় ১১ জনকে ২০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। এ ছাড়া ০৪টি বেকু ও ৫ টি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে র্যাব ও পুলিশ যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। এ সময়ে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রির অভিযোগে ১১ জনকে ২০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
কারাদন্ড প্রাপ্তরা হলো উপজেলার ছাব্বিশা গ্রামের আরশেদ আলীর ছেলে এনামুল ( ৪৭), তাহাছান মিয়ার ছেলে ছানা (৪৯), হায়দর আলীর ছেলে হাফিজুর (৩২), বাবলু মিয়ার ছেলে বিল্পব হোসেন (২৮), জগৎপুরা গ্রামের পাঠান আলী খানের ছেলে ওয়াসিম খান (৪০), পাঠান খানের ছেলে আরমান খান (৩৫), রসুনা গ্রামের খোকনের ছেলে ইমতিয়াজ (২৭), নলিন গ্রামের জুরান আলীর ছেলে নুরুল ইসলাম (৩২), কুঠিবয়ড়া গ্রামের আকাব্বরের ছেলে ছালাম সরকার (২৪),বাগবাড়ী গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩৫), একই গ্রামের কাদেরের ছেলে আপেল (৩২), এবং এ সময়ে তাদের নিকট থেকে নগদ ৪৪ হাজার ৭৬২ টাকা জব্দ করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. ইশরাত জাহান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের র্যাব ১২’র ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার এরশাদুর রহমান ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল রনি।
জগৎপুরা গ্রামের জমির মালিক ভুক্তভোগী আজাদ খান, হেদায়েতুল ইসলাম, খোকন খান জানান, ভূমিদস্যুরা আমাদের জমি থেকে অবৈধ ভাবে মাটি কেটে প্রতিদিন শত শত ট্রাক দিয়ে মাটি বিক্রি করছে। আমরা নিষেধ করতে গেলে আমাদেরকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. ইশরাত জাহান বলেন, স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে র্যাব ও পুলিশের সহযোগিতায় যমুনা নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রির দায়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ১১ জনকে বিনাশ্রম কারাদন্ড ৪টি বেকু, ৫ টি ট্রাক ও নগদ ৪৪ হাজার ৭৬২ টাকা জব্দ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।


