শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভূঞাপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের দায়ে তিনজনকে জরিমানা ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে ধরা পড়েছে ৩৩ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছ মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার গ্রেফতার-১ ভূঞাপুরে জুলাই যোদ্ধা ও ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য হাছানকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার ভূঞাপুরে তিন মাদকসেবীকে চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘাটাইল লোকেরপাড়া আলহাজ্ব হাফেজ শায়খ আনিসুর রহমান খান(রাহি:) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা মুহাম্মাদিয়া হাফিজিয়া ও নুরানী শিক্ষার্থীদের ছবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অবশেষে বদলি করা হলো  সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়া সেই পরিদর্শকাকে ভূঞাপুর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে পোস্ট সংবাদকর্মীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ভূঞাপুরে একটি ট্রাকভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ভূঞাপুরে যমুনায় অনুমোদনবিহীনভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৭ জনকে ৪ লাখ টাকা অর্থদন্ড
ভূঞাপুরে গাছের গুড়িতে আগুন জ্বালিয়ে শীত তাড়ানোর চেষ্টা
/ ৭৫ Time View
Update : শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ৮:০২ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক: চারদিকে গোল হয়ে বসেছেন কয়েকজন। এর মাঝে দেখা যাচ্ছে কাঠের গুড়ি বেয়ে উঠছে আগুনের শিখা। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল বেলায় খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা গেলো টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার শিয়ালকোল হাটখোলা শীর্তাতদের।

গত কয়েকদিনে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় এখানকার বিভিন্ন এলাকায় চোখে পড়ে এমন চিত্র। উপজেলার যমুনা তীরর্বতী এলাকার মানুষ গুলোর শীত প্রবাহে জনজীবন বির্পযস্ত হয়ে পড়েছে। পৌর এলাকার শিয়ায়ালকোল জহুরুল ইসলাম স্টোরের মালিক জহুরুল শেখ বলেন , ‘দোকানের ভেতরেও ঠান্ডায় থাকা দায়! বাইরে তো হাড়কাঁপুনি শীত। তাই কয়েকজনকে নিয়ে শীত তাড়ানোর চেষ্টা করছি।’ তাপমাত্রা নিচে নেমে যাওয়ার পাশাপাশি উত্তরের হিমেল হাওয়ার কারণে শীত বেড়েছে। পাশাপাশি সারাদেশে বয়ে যাচ্ছে শৈত্যপ্রবাহ। এ সপ্তাহ পুরোটাই এমন কনকনে ঠান্ডা থাকতে পারে।’

শৈত্যপ্রবাহের কারণে বিরাজ করছে তীব্র শীত। এ কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে জনজীবন। বলা যায়, জবুথবু হয়ে গেছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেনা কেউ। কথা হয় উপজেলার মাইন্দা গ্রামের কোরবান আলীর সাথে তিনি বলেন,শহরে কাজের খোঁজে প্রতিদিন আসেন। কাজ শেষ করে বিকালে আবার বাড়ি ফিরে যান। ‘ঠান্ডায় ভোরে ঘুম থেকে উঠে শহরে আসতে খুব কষ্ট হয়। কিন্ত কিছু করার থাকে না। কুয়াশা ভেদ করে চাদর জড়িয়ে সংসারের খরচ মেটানোর জন্য ছুটে আসেন।পৌর শহরের আতোয়ার রহমান বলেন,বাহিরে ঘনকুয়াশায় দেখা যায়না। প্রচন্ড ঠান্ডার মধ্যওে হতো দরিদ্ররা এখনও কোনও গরম পোশাক পায়নি যা কিছু পেয়েছে তাহা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।’তিনি মনে করেন সরকারি ভাবে শীতবস্ত্র বিতরণ ছাড়াও ্এলাকার বিত্তবানদের হতোদরিদ্র শীতার্তদের পাশে দাড়ানো উচিৎ।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page