জানা যায়, ১৯৯৬ সালে এ উপজেলায় বিআরএস জরিপের কাজ শুরু করে ভূমি মন্ত্রণালয়। তারই ধারাবাহিকতায় গাবসারা ইউনিয়নের চর গাবসারা মৌজায় ১৭টি সিটে নকশার কিস্তার কাজ শেষ করে ডিপি খতিয়ান তৈরী করে মাঠ পরচা বিতরণ করে ভূমি মালিকদের মধ্যে। ১৯৯৭ সালে ভূমি মালিকদেরকে মাঠ পরচা প্রদান করে। ১৯৯৯ সনে এ্যাটেস্টেশনের কাজ শেষ করে। এতে প্রায় ১০ হাজার খতিয়ানের উপর প্রায় ৩শতাধীক ৩০ ধারা আপত্তি দেয়া হয়। ২০১১ সাল পর্যন্ত সেসব আপত্তি যথাযথ শুনানীর মাধ্যমে নিস্পত্তি করা হয়। পরবর্তীতে সামান্য ৩১ ধারা আপত্তি চলাকালিন সমেয়ে অজ্ঞাত কারণে জরিপ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
এদিকে জরিপ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়াতে এ মৌজায় হাল নাগাদ খাজনা ও খারিজও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে জমি বেচা-কেনা, ব্যাংক ঋণ থেকে বঞ্চিত হয়ে পরে প্রায় ১৩ গ্রামের মানুষ। ফলে বাধ্য হয়ে গত ২৯ এপ্রিল ২০২৫ তারিখ পূর্বের জরিপ বহাল রাখার দাবীতে এলাকার প্রায় ১০হাজার ভুক্তভোগির স্বাক্ষর স¤িবলিত মহা পরিচালক জরিপ অধিদপ্তর বরাবর আবেদন করেন। পরে জরিপ অধিদপ্তর কর্তৃক সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য একটি টিম গঠন করেন। কিন্তু তারা পরিদর্শন শেষে এ মৌজাটি নদী প্রবাহিত বলে প্রতিবেন দেন।
ভুক্তোভোগিদের দাবী এ প্রতিবেদন সম্পূর্ন অযুক্তিক। কারণ এ মৌজার চারিদিকে সকল মৌজার জরিপ চুড়ান্ত হয়েছে অনেক আগেই। শুধু মাত্র একটি মৌজাতে নদী হতে পারে না।
এ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ মৌজাটির জরিপ বাতিল করে নতুন ডিজিটাল জরিপ করার নির্দেশ দেন জরিপ অধিদপ্তর। যার ফলে ফুসে উঠে প্রায় ১৩ গ্রামের মানুষ।
ফলে এসব এলাকা বাসীর পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গাবসারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শাআলম শাপলা। বিএনপি নেতা আক্তার হোসেন ফকির, ইউপি সচিব মো. সোহরাব হোসেন প্রমুখ।
এ ছাড়া পূর্বের জরিপ বহালের দাবীতে গত ২৭ সেপ্টে¤বর গোবিন্দাসী-টাঙ্গাইল রোডে এবং তারাকান্দি-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহা সড়কের কুঠিবয়ড়া নামক স্থানে মানব বন্ধন করেন।