শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভূঞাপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের দায়ে তিনজনকে জরিমানা ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে ধরা পড়েছে ৩৩ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছ মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার গ্রেফতার-১ ভূঞাপুরে জুলাই যোদ্ধা ও ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য হাছানকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার ভূঞাপুরে তিন মাদকসেবীকে চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘাটাইল লোকেরপাড়া আলহাজ্ব হাফেজ শায়খ আনিসুর রহমান খান(রাহি:) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা মুহাম্মাদিয়া হাফিজিয়া ও নুরানী শিক্ষার্থীদের ছবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অবশেষে বদলি করা হলো  সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়া সেই পরিদর্শকাকে ভূঞাপুর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে পোস্ট সংবাদকর্মীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ভূঞাপুরে একটি ট্রাকভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ভূঞাপুরে যমুনায় অনুমোদনবিহীনভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৭ জনকে ৪ লাখ টাকা অর্থদন্ড
ভূঞাপুরে যমুনার চরাঞ্চলে বাদামের বাম্পার ফলন
/ ৫৬ Time View
Update : সোমবার, ১৩ মে, ২০১৯, ২:২৪ অপরাহ্ন

নিজ্স্ব প্রতিবেদক ঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুের যমুনার চরাঞ্চলে এ বছর বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছে। লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে এবছর ১ হাজার ৮৮৫ হেক্টর জমিতে ঢাকা-১ ও ডিজি-২ জাতের চীনা বাদামের চাষ হয়েছে। যমুনা নদীর গর্ভে ভূঞাপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। যমুনার বুকে জেগে ওঠা বালুচর অবহেলিত মানুষের বেঁচে থাকার অন্যতম একমাত্র অবলম্বন। রাক্ষুসে যমুনার ভাঙাগড়ার সঙ্গে যুদ্ধ করে টিকে থাকা মানুষগুলো বালুচরে দীর্ঘদিন ধরে চীনা বাদামের চাষ করে আসছে। চলতি মওসুমে বাদামের দাম ও ফলন ভাল হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, যমুনা নদীর বুকজুড়ে অসংখ্য ছোট-বড় চর। আর এসব বালুচরে মাইলের পর মাইল চীনা বাদামের ক্ষেত। সাদা বালুর জমিনে সবুজ আর সবুজে ছেয়ে গেছে লতানো বাদামের গাছে। প্রতিটি লতানো বাদাম গাছের মুঠি ধরে টান দিলেই উঠে আসছে থোকা থোকা সোনালী রঙের চিনা বাদাম। এ যেন বালুর নিচে লুকিয়ে থাকা গুপ্তধন। বর্ষার পানিতে তলিয়ে যাওয়ার পূর্বেই গুপ্তধন ঘরে তুলতে ব্যস্ত শত শত কৃষক। ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা চরের কৃষক আজমত আলী জানান, যমুনা চরের বালু মাটি চীনা বাদাম চাষের জন্য খুবই উপযোগী। এ বছর বাদাম চাষ করে অনেক লাভ হবে বলে আশা করছি। প্রতি মণ কাচা বাদাম বিক্রি হচ্ছে ১৪০০ থেকে ১৬০০ টাকায় এবং প্রতি মণ শুকনা বাদাম বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ থেকে ২২০০টাকায়। এবার ফলন ভাল হওয়ায় এক বিঘা জমিতে ০৮ থেকে ১০ মণ বাদাম পাওয়া যাচ্ছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর বাদামের ফলনও হয়েছে। উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে প্রতি বিঘায় ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা লাভ হবে। আরেক কৃষক হোসেন মিয়া জানান, বালু মাটিতে অন্য কোন ফসল উৎপাদন করে বাদামের সমপরিমাণ লাভ হয় না। অন্যান্য ফসল উৎপাদনের চেয়ে চীনা বাদাম উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় চরাঞ্চলের আমরা সবাই বাদামের চাষ করেছি। বাদাম রোপণের পর অন্য ফসলে ন্যায় কোন পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। নেই রাসায়নিক সারের ব্যবহার । বীজ রোপণ আর পরিপক্ব বাদাম উঠানোর শ্রমিক খরচ ছাড়া তেমন কোন খরচ নেই বললেই চলে। একটি ফসলেই আমাদের সারা বছরের সংসার চলে।
উপজেলা কৃষি সম্পসারণ অফিসার এস এম রাশেদুল হাসান জানান, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবছর যমুনা চরাঞ্চলের অধিকাংশ জমিতে বাদাম চাষ হয়েছে। অন্যান্য ফসলের চেয় খরচ অনেকটাই কম এবং দামও অন্যান্য ফসলের চেয় বেশি। তাই দিন দিন চরাঞ্চলের চাষীরা বাদাম চাষে ঝুঁকছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান বলেন, আমরা আশা করছি যমুনার চরে বাদামের ব্যাপক চাষাবাদ কৃষিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে। কৃষকদের সব সময় আমরা সচেতনামূলক পরামর্শ দিয়ে থাকি।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page