শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভূঞাপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের দায়ে তিনজনকে জরিমানা ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে ধরা পড়েছে ৩৩ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছ মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার গ্রেফতার-১ ভূঞাপুরে জুলাই যোদ্ধা ও ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য হাছানকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার ভূঞাপুরে তিন মাদকসেবীকে চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘাটাইল লোকেরপাড়া আলহাজ্ব হাফেজ শায়খ আনিসুর রহমান খান(রাহি:) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা মুহাম্মাদিয়া হাফিজিয়া ও নুরানী শিক্ষার্থীদের ছবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অবশেষে বদলি করা হলো  সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়া সেই পরিদর্শকাকে ভূঞাপুর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে পোস্ট সংবাদকর্মীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ভূঞাপুরে একটি ট্রাকভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ভূঞাপুরে যমুনায় অনুমোদনবিহীনভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৭ জনকে ৪ লাখ টাকা অর্থদন্ড
ভূঞাপুরে জমজমাট গরীবের শীত কাপড়ের মার্কেট
/ ৩৮ Time View
Update : শনিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৮, ৮:২৭ অপরাহ্ন

মামুন সরকার ভূঞাপুর প্রতিনিধিঃ শীত আসতে না আসতেই টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে দারোগ আলী সুপার মার্কেট সংলগ্ন খোলা মাঠে জমে উঠেছে গরীবের শীত কাপড়ের মার্কেট। একদাম এক রেট, দেইখ্যা লন, বাইছ্যা লন, খালি পঞ্চাশ খালি পঞ্চাশ। ‘একশ টাকা একশ টাকা’ একটা কিনলে আরেকটা ফ্রি। এভাবেই নারী, পুরুষ, শিশু, তরুণ-তরুণীদের মধ্যে শীতের কাপড় বিক্রী করছেন ভূঞাপুরে ফুটপাতের শীত কাপড়ের ব্যবসায়ীরা। তীব্র শীত আসতে এখনো প্রায় এক মাস বাকি থাকলেও ইতিমধ্যে জমে উঠেছে গরীবের শীতের মার্কেট। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে এই কেনা-বেচা। শীতকে সামনে রেখে গরম পোশাক কিনছে সবাই। মাথা থেকে পা পর্যন্ত শীত নির্বারণ করতে গরম কাপড় কেনায় ব্যস্ত উপজেলায় নি¤œ আয়ের মানুষগুলো। গরিব ও নি¤œ আয়ের মানুষের একমাত্র ভরসা হকারদের বিক্রী করা শীতের কাপড়। গরীবদের পাশাপাশি এখানে বিভিন্ন শ্রেণির লোকজন কাপড় কিনে থাকেন। বর্তমানে উচ্চ আয়ের লোকজনও এখান থেকে কাপড় কিনছেন। বছরের অন্যান্য সময় এখানে তেমন কেনা-বেচা না হলেও শীতকে সামনে রেখে এখানকার ব্যবসা জমে উঠে। এখানকার ব্যবসায়ীরা শুধু শীতকে সামনে রেখে কাপড় কেনা-বেচা করে থাকে।

ব্যবসায়ী বলেন, আমরা চট্টগ্রামের আমিন মার্কেট থেকে বেল্ট হিসেবে এইসব শীতের কাপড় নিয়ে আসি। গত বছরের তুলনায় এবছর প্রতিটি বেল্টের দাম বেড়েছে প্রায় ২-৩ হাজার টাকা। প্রতিটি বেল্টের মূল্য প্রায় ১৬-২০ হাজার টাকা। বিভিন্ন ধরনের বেল্টের বিভিন্ন রকমের দাম । প্রতিটি বেল্টের ভিতরে সোয়াটার, বিভিন্ন ধরনের গরম জামা, টুপি, মোজা, বাচ্চাদের কাপড়, র্কোট-প্যান্ট, চাদর, কম্বল, ট্টাউজারসহ বিভিন্ন ধরনের শীতের কাপড় থাকে। বেল্ট ভাঙ্গার পর কাপড়গুলোর একটা গড় মূল্য নির্ধারণ করে আমরা বিক্রী শুরু করি। খরচ বাদে যা থাকে তাতে ভালোই লাভ হয়।

সরজমিনে দেখা যায়, এখানে সকাল থেকে শুরু করে রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত চলে বেচা-কেনা। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ক্রেতা সমাগম একটু কম থাকলেও বিকাল হওয়ায় সাথে সাথেই বাড়তে থাকে ক্রেতার সমাগম। অন্যান্য ক্রেতাদের মধ্যে অধিকাংশ স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী। এছাড়া যমুনা চরাঞ্চলের অধিকাংশ লোকজন এই হকার মার্কেট শীতের পোশাক কিনতে আসেন।

উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের বরকতপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন বলেন, অন্যান্য মার্কেটের তুলনায় এখানে কম দামে ভালো শীতের কাপড় পাওয়া যায়। তাই প্রতিবছর পরিবারের সকলের জন্য ও আমার জন্য এখান থেকেই শীতের কাপড় কিনি। শীতের কাপড় কিনতে আসা গাবসারা ইউনিয়নের রুলীপাড়া গ্রামের রহিজ উদ্দিন বলেন, আমি প্রায় চার বছর যাবৎ পরিবারের সকল সদস্যদের জন্য এখান থেকে শীতের পোশাক কিনি। মার্কেটের চেয়ে এখানে দাম অনেক কম এবং কাপড়ের মানও অনেকটা ভালো। শুধু আমি নই আমাদের চরাঞ্চলের অধিকাংশ লোকজন এখান থেকে শীতের পোশাক কিনেন।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page