নিজস্ব প্রতিবেদক: চারদিকে গোল হয়ে বসেছেন কয়েকজন। এর মাঝে দেখা যাচ্ছে কাঠের গুড়ি বেয়ে উঠছে আগুনের শিখা। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল বেলায় খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা গেলো টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার শিয়ালকোল হাটখোলা শীর্তাতদের।

গত কয়েকদিনে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় এখানকার বিভিন্ন এলাকায় চোখে পড়ে এমন চিত্র। উপজেলার যমুনা তীরর্বতী এলাকার মানুষ গুলোর শীত প্রবাহে জনজীবন বির্পযস্ত হয়ে পড়েছে। পৌর এলাকার শিয়ায়ালকোল জহুরুল ইসলাম স্টোরের মালিক জহুরুল শেখ বলেন , ‘দোকানের ভেতরেও ঠান্ডায় থাকা দায়! বাইরে তো হাড়কাঁপুনি শীত। তাই কয়েকজনকে নিয়ে শীত তাড়ানোর চেষ্টা করছি।’ তাপমাত্রা নিচে নেমে যাওয়ার পাশাপাশি উত্তরের হিমেল হাওয়ার কারণে শীত বেড়েছে। পাশাপাশি সারাদেশে বয়ে যাচ্ছে শৈত্যপ্রবাহ। এ সপ্তাহ পুরোটাই এমন কনকনে ঠান্ডা থাকতে পারে।’

শৈত্যপ্রবাহের কারণে বিরাজ করছে তীব্র শীত। এ কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে জনজীবন। বলা যায়, জবুথবু হয়ে গেছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেনা কেউ। কথা হয় উপজেলার মাইন্দা গ্রামের কোরবান আলীর সাথে তিনি বলেন,শহরে কাজের খোঁজে প্রতিদিন আসেন। কাজ শেষ করে বিকালে আবার বাড়ি ফিরে যান। ‘ঠান্ডায় ভোরে ঘুম থেকে উঠে শহরে আসতে খুব কষ্ট হয়। কিন্ত কিছু করার থাকে না। কুয়াশা ভেদ করে চাদর জড়িয়ে সংসারের খরচ মেটানোর জন্য ছুটে আসেন।পৌর শহরের আতোয়ার রহমান বলেন,বাহিরে ঘনকুয়াশায় দেখা যায়না। প্রচন্ড ঠান্ডার মধ্যওে হতো দরিদ্ররা এখনও কোনও গরম পোশাক পায়নি যা কিছু পেয়েছে তাহা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।’তিনি মনে করেন সরকারি ভাবে শীতবস্ত্র বিতরণ ছাড়াও ্এলাকার বিত্তবানদের হতোদরিদ্র শীতার্তদের পাশে দাড়ানো উচিৎ।


