আব্দুর রহিম মিঞা : টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের কৃতি সন্তান মাহবুব আনাম দেশের মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ায় নিজ গ্রামের বাড়ি নিকরাইলে বইছে আনন্দের বন্যা।
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সম্পৃক্ততা এবং জনসেবায় সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মন্ত্রিত্ব প্রদান করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।
ভূঞাপুর-নিকরাইলের সাধারণ মানুষদের মতে, মাহবুব আনামের এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত নয়, এটি পুরো টাঙ্গাইল জেলার জন্য গর্বের বিষয়। তার মন্ত্রিত্বে এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে এমন প্রত্যাশা করছেন নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল থেকে উঠে আসা নেতৃত্বের এই উত্থান স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বার্তা দেবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম রাজনীতিতে আরও সক্রিয় হতে উৎসাহিত হবে।
নিকরাইলের গ্রাম-গঞ্জ থেকে শুরু করে পুরো টাঙ্গাইলে এখন একটাই আলোচনা নিজেদের সন্তানের জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্বের আসনে অধিষ্ঠিত। এই অর্জনকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও আশাবাদের সুর স্পষ্ট।
তার এই অর্জনে পুরো টাঙ্গাইল জেলায় আনন্দ ও গর্বের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। মাহবুব আনাম টাঙ্গাইল-১৩০ মধুপুর -ধনবাড়ী আসন থেকে ধানেরশীষের প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনটি দীর্ঘদিন বিএনপির হাত ছাড়া ছিল। তার জন্ম স্থান টাঙ্গালের ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল গ্রামে। রাজনৈতিক বিঙ্খলা এড়ানোর কারণে বেগম খালেদা জিয়া তাকে ভূঞাপুর -গোপালপুর টাঙ্গাইল-২ আসন থেকে সরিয়ে টাঙ্গাইল ১ মধুপুর-ধনবাড়ি আসনে মনোনিত করেন। মাহবুব আনাম স্বপন আজ অবধি সেখানেই নির্বাচনী প্রদন্ধিতা করে আসছেন।
মাহবুব আনামের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ছাত্রজীবন থেকেই চাচা লোকমান ফকিরের হাত ধরে। তার বড় চাচা আফাজ উদ্দিন ফকির জিয়াউর রহমানের সাথে রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে সে সময় সংসদ সস্দ্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার পরিবার বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন সেই সুবাদে তিনিও তৃণমূল রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে ধাপে ধাপে সাংগঠনিক দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ এবং জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখে তিনি জনগণের আস্থা অর্জন করেন। দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে তিনি কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও দৃঢ় অবস্থান তৈরি করেন।
ভূঞাপুর-নিকরাইল এলাকায় শিক্ষা, যোগাযোগ ও সামাজিক উন্নয়নে তার অবদান উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে রাজনীতিতে ইতিবাচকভাবে সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে। ভূঞাপুরে তার হাতে গড়া অনেক ইস্কুল কলেজ মাদ্রাসা রয়েছে।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় দেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সম্প্রসারণ, ই-গভর্নেন্স, ফাইবার নেটওয়ার্ক বিস্তার ও ডিজিটাল সেবা সহজীকরণে এ মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যদিকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে কাজ করে। এই দুই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়াকে মাহবুব আনামের প্রতি সরকারের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা মাহবুব আনামের নেতৃত্বে টাঙ্গাইলসহ সারাদেশে প্রযুক্তি, যোগাযোগ ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা খাতে নতুন গতি সঞ্চার হবে। নিকরাইলের সাধারণ মানুষ মনে করছেন, তাদের সন্তান জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় এলাকার উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
মাহবুব আনাম মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় মাহবুব আনাম বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও আস্থাই তার মূল শক্তি। তিনি এলাকার উন্নয়ন ও দেশের অগ্রযাত্রায় সর্বোচ্চ নিষ্ঠা দিয়ে কাজ
টাঙ্গাইলবাসীর কাছে এটি কেবল একটি রাজনৈতিক নিয়োগ নয়, বরং এক নতুন সম্ভাবনার সূচনা।


