নিজস্ব প্রতিবেদক : বার্ধক্য ও তীব্র অসুস্থতার কারণে সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় উঠে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে দেখা করার শক্তি ছিল না অসহায় বৃদ্ধা খোর রাণী দাসের।
তাই সহায়তা পাওয়ার আকুতি নিয়ে নিচতলাতেই অপেক্ষা করছিলেন তিনি। ঘটনাটি জানতে পেরেই কার্যালয় থেকে নিচে ছুটে আসেন টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহবুব হাসান সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন ।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। অসহায় বৃদ্ধা খোর রাণী দাস উপজেলার শিয়ালকোল ঋষিপাড়া এলাকার মৃত সুরিন চন্দ্রের স্ত্রী।
জানা যায়, চরম আর্থিক অনটন ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট ভোগ করছেন খোর রাণী দাস। হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাঁটাচলার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন তিনি। সকালে একটি ভ্যানে করে সরকারি সহায়তার আশায় উপজেলা পরিষদে আসেন। তবে সিঁড়ি বেয়ে দোতলার কার্যালয়ে ওঠার সামর্থ্য না থাকায় নিচে অপেক্ষা করতে থাকেন।
বিষয়টি জানতে পেরে ইউএনও মো. মাহবুব হাসান কালবিলম্ব না করে নিজেই নিচে নেমে আসেন। বৃদ্ধার পাশে বসে তাঁর শারীরিক ও সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে সরকারি তহবিল থেকে তাঁর হাতে আর্থিক সহায়তা ও শুকনো খাবার তুলে দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব হাসান জানান, তিনি পূর্বেও ওই বৃদ্ধার বাড়িতে গিয়ে খবরাখবর নিয়েছিলেন। হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার খবর পেয়ে এবং তিনি নিচে অপেক্ষা করছেন শুনে দ্রুত নেমে আসেন। অসহায় ও বিশেষ সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকারি এমন সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।


