মোঃ আব্দুর রহীম মিঞা,ভূঞাপুর ঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর একই ছাদের নিচে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির দুই গ্রুপের অফিস হওয়ায় ধাক্কা ধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৮ এপ্রিল)অফিস কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে।
জানাযায়, ২০২১ সালে কমিটি গঠন হলে আবার শিক্ষক সমিতির গঠিত সভাপতি মারা যাওয়ার পর অবৈধভাবে সভাপতির করা হয়েছে মোঃ জাফর আহম্মেদ শাহীনকে। শিক্ষক সমিতির ওই কমিটির বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীীত ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ আনেন সেলিম-খায়রুল গ্রুপের শিক্ষককেরা। এর আগে সাংবাদিক সম্মেলেন করে অনিয়ম, দুর্নীীত ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ করেন বর্তমান কমিটি জাফর- কাজী জহুরুলের বিরুদ্ধে। এতে করে মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ভূঞাপুর শাখার বিভক্তি গ্রুপিং প্রকাশ্যে রূপ নেয়। বর্তমান কমিটি সভাপতির দায়িত্বভার নেওয়ার পর থেকে জালিয়াতি ও নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বর্তমানে ভূঞাপুরে প্রানকেন্দ্রে শিশু পার্ক সংলগ্ন শিক্ষক সমিটির ৫তলা বিশিষ্ট একটি নিজস্ব বহূতল ভবন নির্মান করা হয়েছে। নির্মিত ভবনের নিচতলায় বর্তমান কমিটি কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন জাফর- কাজী জহুরুলের নেতৃত্বাধীন গ্রুপের সদস্যরা। এদিকে একই ছাদের আরেক অংশে হোটেল ব্যবসার কাজে ভাড়া দেওয়া ছিল। বর্তমানে হোটেলটি অন্য জায়গায় সরিয়ে দিয়ে অপর অংশর নেতৃত্বাধীন সেলিম-খায়রুল গ্রুপের শিক্ষককেরা সেখানে শিক্ষক সমিতির অফিস বানিয়েছেন।অপর গ্রুপের নেতৃত্ব দানকারী শিক্ষক নেতা টেপিবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ খায়রুল ইসলাম জানান, দীর্ঘ দিন যাবৎ শিক্ষক সমিতির চেয়ারে বসে ইচ্ছামত দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারীতা করে যাচ্ছে ঐ শিক্ষক নামধারী নেতারা। এভাবে একের পর এক দুর্নীতি করে যাচ্ছে তারা। আমরা শিক্ষক সমাজ এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরুপ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আর ধাক্কা-ধাক্কির বিষয়টি স্বীকার করে তিনি আরও বলেন, এক সঙ্গে বসার কোনো প্রশ্ন আসেনা তাই আমরা আলাদা অফিস নিয়েছি ।


