নিজস্ব প্রতিবেদক :
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ডেন্টাল যন্ত্রাংশ অকেজো থাকায় রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্সে মেশিন ও পর্যাপ্ত যন্ত্রাংশ নাথাকায় দাঁত উঠানো, রুট ক্যানেল, ফিলিং, স্কিলিং দাঁতে ক্যাপ পড়ানোসহ নানা চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেনা ডেন্টাল রোগীরা।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালে সেবার মান ও অভ্যন্তরীণ পরিবেশ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন রোগী ও তাদের সাথে আসা স্বজনেরা। হাসপাতালটিতি গড়ে প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ জন রোগী ডেন্টাল চিকিৎসা নিতে আসে অধিকাংশ রোগীর ব্যাথা ও গ্যাসের ট্যাবলেট নিয়ে চলে যেতে হচ্ছে। আর এজন্যই প্রায় ৩ লক্ষাধিক লোক পাচ্ছেনা ডেন্টাল চিকিৎসা সেবা। হাসপাতালের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিয়েও মনঃক্ষুণœ হচ্ছে তারা।পাশাপাশি হাসপাতালের মানহীন খাবার, দুর্গন্ধময় শৌচাগার ও প্রয়োজনীয় ওষুধের অপ্রতুল স্বাস্থ্য সেবা মানুষের মুখে মুখে।হাসপাতালে ডেন্টাল চিকিৎসা করতে আাসা রোগী মোহাম্মদ আলী জানান- দাঁতে চরম ব্যাথা দাঁত উঠাতে হবে ডাক্তার বলেলন, এখানে সকল দাঁত উঠানো হয় না আপনাকে এক্সে করতে হবে। খাদিজা বেগম নামে এক ডেন্টাল রোগী বলেন, আমাকে এক্সে করতে বলে আমি গরীব মানুষ আমার টাকা নাই হাসপাতাল থেকে শুধু প্যারাসিটামল ট্যাবলেট দেয় তাতে আমার দাঁতের ব্যাথা যায় না। হাসপাতালে নানা অব্যবস্থাপনা, জনবল ও যন্ত্রপাতির সংকটে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন হাসপাতালের রোগীরা। ব্যাথার ট্যাবলেট ও স্যালাইন ছাড়া আর কোনো ওষুধ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন- চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা। দাঁতের ভালো চিকিৎসা পেতে হলে ডেন্টাল বিভাগের এক্সে মেশিন, ডেন্টাল চেয়ার ও প্রয়োজনীয় দাঁতের চিকিৎসা যন্ত্রাংশ দ্রুত প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক মহল।হাসপাতালের ডেন্টাল বিভাগের ডাক্তার ওমর ফারুক জানান, আমি একা আমার একজন এ্যাসিস্টেন আছে প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ জন রোগীকে দাঁতের চিকিৎসা দিতে হয়। তাছাড়া আমাদের ডেন্টাল বিভাগের এক্সে মেশিন, ডেন্টাল চেয়ার ও প্রয়োজনীয় দাঁতের চিকিৎসা যন্ত্রাংশ নাই।এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ লুৎফর রহমান আজাদ বলেন, হাসপাতালে প্রচুর পরিমাণ রোগী থাকায় ডেন্টাল চিকিৎসক বেশি না থাকায় প্রয়োজনীয় দাঁতের চিকিৎসা পাচ্ছে না রোগীরা। এছাড়াও ডেন্টালের যন্ত্রাংশ বিকল। এসব বিষয় সমাধানের জন্য মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে।


