নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে শীতের তীব্রতা দিন দিন শীত বেড়েই চলছে।

ঘন কুয়াশা, হাড় কাঁপানো শীত আর ঠান্ডা বাতাসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জীবনযাত্রা। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, ছিন্নমূল ও চরাঞ্চলের লোকজন।আর এজন্য ভীড় জমেছে ফুটপাতের কাপড়ের দোকান গুলোতে।সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পৌর শহরের বাজার এলাকায় কাপড়ের দোকান গুলোতে উপচে পড়া ভীর লক্ষ করা গেছে।
গ্রামাঞ্চলে ঘন কুয়াশায় সকালে সড়কে যান চলাচল ধীরগতি । বাসস্ট্যান্ড ও রেলস্টেশন এলাকায় দেখা যায়, খোলা জায়গায় দোকানের সামনে কাঠের গুড়ি ও খড় কুটো দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা। অনেকের গায়ে নেই পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র।কাপড় দোকান গুলোতে মিলছে পুরনো ব্লেজার, জ্যাকেট, সোয়েটার, ট্রাউজার, শিশু ও বৃদ্ধদের পোষাকসহ নারীদের শীতের পোশাকও। অন্যদিকে মাকের্টে সাজিয়ে রাখা শীতের পোষাকের দোকান গুলোতেও বাড়ছে ক্রেতার সংখ্যা। সেখানেও বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষের পাশাপাশি শিশুদের পোষাক বিক্রি হচ্ছে। তবে গত বারের তুলনায় এবছর দাম বেশি বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। ফুটপাতে কাপড় কিনতে আসা ক্রেতা মজিবর রহমান বলেন, “শীতে কাজ কমে গেছে। ঠান্ডায় শরীর আর চলে না, মার্কেটে কাপড়ের দাম বেশি এজন্য ফুটপাতে কাপড় কিনতে আসছি।যে শীত পড়ছে কাপড় না কিনলে চলবে না।”।
ফুটপাতে কাপড় কিনতে আসা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘শীত নিবারণের জন্য গরম কাপড় কেনা দরকার মার্কেট গুলোতে নতুন কাপড়ের যে দাম, তা আমার অতো টাকা নাই। ফুটপাতে কম দামে মোটামুটি ভালো মানের কাপড় পাওয়া যায়, তাই এখান থেকেই একটি জ্যাকেট কিনলাম।’
ক্রেতা ফাহিমা আক্তার জানান, এখন এলাকায় শীতের তীব্রতা একটু বেশি এ বছর মার্কেটে কাপড়ের দাম বেশি। তাই ফুটপাতে এসে দেখে-শুনে দুটি সোয়েটার ও ট্রাউজার কিনলাম। তবে গতবারের চেয়ে এবার ফুটপাতেও দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে।
কাপড়ের দোকানের মালিক জহুরুল ইসলাম জানান,এ বছর শীতের প্রথমদিকে কাপড়ের ক্রেতাদের সংখ্যা বেশি মনে হচ্ছে শীতও বেশি মনে হচ্ছে তবে দাম আগের মতই আছে।


