শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভূঞাপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের দায়ে তিনজনকে জরিমানা ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে ধরা পড়েছে ৩৩ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছ মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার গ্রেফতার-১ ভূঞাপুরে জুলাই যোদ্ধা ও ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য হাছানকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার ভূঞাপুরে তিন মাদকসেবীকে চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘাটাইল লোকেরপাড়া আলহাজ্ব হাফেজ শায়খ আনিসুর রহমান খান(রাহি:) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা মুহাম্মাদিয়া হাফিজিয়া ও নুরানী শিক্ষার্থীদের ছবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অবশেষে বদলি করা হলো  সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়া সেই পরিদর্শকাকে ভূঞাপুর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে পোস্ট সংবাদকর্মীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ভূঞাপুরে একটি ট্রাকভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ভূঞাপুরে যমুনায় অনুমোদনবিহীনভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৭ জনকে ৪ লাখ টাকা অর্থদন্ড
ভূঞাপুর ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে পাঠদান!
/ ৮৩ Time View
Update : রবিবার, ১৬ জুন, ২০১৯, ৭:৪০ অপরাহ্ন
ভূঞাপুর ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে পাঠদান! ভূঞাপুর উপজেলার ঢেপাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জায়গা না হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে শিক্ষার্থীদের ক্লাস
ভূঞাপুর ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে পাঠদান!

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ভূঞাপুর উপজেলার ১৬ নং ঢেপাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জায়গার সংকুলান না হওয়ায় পরিত্যক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে শিক্ষার্থীদের ক্লাস। ফলে আবহাওয়া খারাপ হলে বৃষ্টির পানিতে ভিজেই ক্লাস করতে হয় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। এতে বিদ্যালয় বিমুখ হয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলা ঢেপাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনটি ভবন রয়েছে। যার একটি শিক্ষকরা অফিস হিসেবে ব্যবহার করছেন। অন্য একটি ভবনের দুটি কক্ষে ক্লাস চলছে এবং বাকি ভবনটি পরিত্যক্ত। যে ভবনটিতে ক্লাস চলছে সেখানে জায়গার সংকুলান না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনেই ক্লাস নিচ্ছেন শিক্ষকরা। তবে ভবনটি যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়ার আশঙ্কা ।পরিত্যক্ত ভবনের দুইটি কক্ষের দরজা, জানালা, টিনের চাল মরিচা ধরে খসেখসে পড়ছে। তাছাড়া বিদ্যালয়টি সড়কের পাশে হওয়ায় রাতে মাদকসেবীদের আড্ডা বসে এবং তারা ঘর নোংরা করে রেখে যায়।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বিদ্যালয়ে ২৫৯ জন শিক্ষার্থী পড়াশুনা করছে। ভবনটি ১৯৯০ সালে নির্মাণের পর আর সংস্কার করা হয়নি। এরপর ২০১৫ সালে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।

বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী আদিব হাসান নীরব  জানায়, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসতে ভয় লাগে। জরাজীর্ণ কক্ষে ক্লাস করতে তাদের ভালো লাগে না। অনেক শিক্ষার্থী স্কুলেও আসছে না।

চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী বৃষ্টি জানায়, যেকোনো সময় ভবনটি ভেঙে পড়তে পারে। তাই নতুন ভবন নির্মাণ করা প্রয়োজন। নতুন ভবন হলে তাদের পড়াশুনায় মন বসবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল খালেক  বলেন, ‘যেকোনো মুহূর্তে ভবনটি ভেঙে পড়তে পারে। বারবার শিক্ষা অফিসকে অবহিত করেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি।’

উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজামাল  বলেন, ‘বিদ্যালয়ে উন্নয়ন কাজের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। শিগগিরই ওই বিদ্যালয়ে নতুন ভবন, বিদ্যালয়ের গেট ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page