শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভূঞাপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের দায়ে তিনজনকে জরিমানা ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে ধরা পড়েছে ৩৩ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছ মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার গ্রেফতার-১ ভূঞাপুরে জুলাই যোদ্ধা ও ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য হাছানকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার ভূঞাপুরে তিন মাদকসেবীকে চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘাটাইল লোকেরপাড়া আলহাজ্ব হাফেজ শায়খ আনিসুর রহমান খান(রাহি:) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা মুহাম্মাদিয়া হাফিজিয়া ও নুরানী শিক্ষার্থীদের ছবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অবশেষে বদলি করা হলো  সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়া সেই পরিদর্শকাকে ভূঞাপুর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে পোস্ট সংবাদকর্মীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ভূঞাপুরে একটি ট্রাকভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ভূঞাপুরে যমুনায় অনুমোদনবিহীনভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৭ জনকে ৪ লাখ টাকা অর্থদন্ড
ভূঞাপুর ধানের ব্লাস্ট রোগ, শ্রমিক সংকট ও দাম কম থাকায় বিপাকে পড়েছে কৃষক
/ ৫৭ Time View
Update : বুধবার, ১৫ মে, ২০১৯, ৮:১৫ পূর্বাহ্ন

মামুন সরকার ভূঞাপুর প্রতিনিধিঃ একদিকে বোরো ধানের ব্লাল্ট রোগ অন্যদিকে ধানের সঠিক দাম না পাওয়ায় লোকসান গুনতে হচ্ছে ভূঞাপুরের বোরো চাষীদের। এমন অবস্থা চলতে থাকলে ধান চাষে আগ্রহ হারাবে সাধারন কৃষরা। উপজেলার বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমান বাজারে প্রতি মণ বোর চায়না ধান বিক্রি হচ্ছে ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকায়, ব্রি ধান ৫৮ বিক্রি হচ্ছে ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকায়, ব্রি ধান ২৮ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা দরে। যেখানে একজন কৃষকের ১ কেজি ধান চাষ করতে খরচ হচ্ছে ১৬ থেকে ১৭ টাকা অথাৎ ১ মণ ধান চাষ করতে ব্যয় চচ্ছে ৬৪০ থেকে ৭২০ টাকা। সেখানে তাদের এক মণ ধান বিক্রি করতে হচ্ছে ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকায়। যা প্রতি মণ ধানে কৃষকদের লোকসান হচ্ছে প্রায় ২০০ টাকা। তবে সবচেয়ে বেশি লোকসানে পড়ছে বর্গা চাষীরা। উৎপাদিত ফসলের অর্ধেক জমির মালিককে দেয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা।উপজেলার ভালকুটিয়া গ্রামের বোরো চাষী চাঁন মিয়া জানান, আমি এবছর ১১ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছি। প্রতি বিঘায় প্রায় ১৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ফলন ভালো হলে ১ বিঘা জমিতে প্রায় ১৮ থেকে ২০ মণ ধান হয়ে থাকে। সেই হিসেবে ৫০০ টাকা মণ হলে ২০ মণ ধানের দাম হয় ১০ হাজার টাকা। দাম কম থাকায় প্রতি বিঘায় ৪ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের। ভারই গ্রামের চাষী আবুল কাশেম বলেন, এবছর ১৬ বিঘা জমিতে বোর চাষ করেছি। তারমধ্যে ৩ বিঘা জমিতে ব্লাস্ট রোগে আক্রমণ করেছে। তাছাড়া শ্রমিক সংকটের কারণে ধান কাটা নিয়ে বিপাকে পড়েছি। প্রতিদিন একজন শ্রমিকের মুজুরি দিতে হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত। সবমিলিয়ে বোরো চাষ করে এবছর মোটা অঙ্কের লোকসান গুনতে হচ্ছে আমাদের। ফলদা গ্রামের চাষী ফরমান শেখ বলেন, ধানের ব্লাস্ট রোগ ও শীলা বৃষ্টির কারণে ফলন ঠিকমতো হয়নি। তাই এবছর ধান আবাদ করে বড় অঙের লোকসান হয়েছে আমার। জানিনা কিভাবে এই লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবো।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান বলেন, এবছর ভূঞাপুর উপজেলায় প্রায় ৬ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষাবাদ হয়েছে। চলতি বোরো মৌসুমে সব ধরনের কৃষি পণ্যের দাম বাড়ার কারণে কৃষকের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। দিন রাত্রের তারতম্য ও আবহাওয়া অনুকূলে না থাকার কারণে কিছু জমিতে ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ দেখা দিয়েছে। আমরা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কৃষকদেরকে পরামর্শ দিয়েছি যার ফলে ব্লাস্ট রোগরে জীবাণু ধানের তেমন বেশি ক্ষতি করতে পারেনি। এছাড়া শীলা বৃষ্টির কারণেও ধানের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page