শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভূঞাপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের দায়ে তিনজনকে জরিমানা ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে ধরা পড়েছে ৩৩ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছ মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার গ্রেফতার-১ ভূঞাপুরে জুলাই যোদ্ধা ও ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য হাছানকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার ভূঞাপুরে তিন মাদকসেবীকে চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘাটাইল লোকেরপাড়া আলহাজ্ব হাফেজ শায়খ আনিসুর রহমান খান(রাহি:) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা মুহাম্মাদিয়া হাফিজিয়া ও নুরানী শিক্ষার্থীদের ছবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অবশেষে বদলি করা হলো  সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়া সেই পরিদর্শকাকে ভূঞাপুর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে পোস্ট সংবাদকর্মীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ভূঞাপুরে একটি ট্রাকভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ভূঞাপুরে যমুনায় অনুমোদনবিহীনভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৭ জনকে ৪ লাখ টাকা অর্থদন্ড
ঈদে জমে উঠেছে ভূঞাপুরে ফুটপাতের কাপড়ের দোকান
/ ১১৭ Time View
Update : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক  : রমজানের ১৮ দিন যেতে না যেতেই জমে উঠেছে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ফুটপাতের কাপড়ের দোকান গুলো।

সরে জমিনে দেখা যায়,দোকান গুলোর সামনে গ্রাম পল্লী থেকে আশা ক্রেতাদের ভীর। ক্রেতাদের সম্মান প্রদর্শন করে আপু, খালাআম্মা ,চাচী বলে দোকানে সাজিয়ে রাখা কাপড় দেখাচ্ছেন বিক্রেতারা। আর ক্রেতারা কিনে নিচ্ছেন তাদের পছন্দের কাপড়।দেখা যায়, ফুটপাতের দোকানে দল বেধে ক্রয় করতে আসা মানুুষের উপচে পড়া ভীড়। রাস্তার পাশে দোকান গুলোতে ঈদের কেনা কাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়ছে মানুষ। ছোট, বড়, ধনী, গরিব বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের ভীর দেখা গেছে ফুটপাতের দোকান গুলোতে। দোকানের সামনে ঝুলিয়ে রাখা কাপড়গুলাও শোভা পাচ্ছে বাগানের গাছে ফুল ধরার মতো । মাসের শেষে বেতন পেয়ে মানুষের আনন্দে কাপড় কেনার কাটার ধুম। এ দিকে রাস্তার পাশে সাজিয়ে রাখা কাপড়ের দোকানে ক্রেতাদের কেনা কাটায় রাস্তা সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। গাড়ী, ভ্যান, রিকশা চলাচলেও বিগ্ন ঘটেছে সাধারণ মানুুষের। শাড়ি, গজ কাপড়, সেলোয়ার, ওড়না বিভিন্ন ধরনের কাপড় কেনা কাটা করছে তারা। ক্রেতাদের মধ্যে অধিকাংশই মহিলা ক্রেতার ভীর লক্ষ করা গেছে। আলাপ চারিতায় দোকানদার মো: রাসেল মিয়া জানান, মার্কেটে জিনিস পত্রের অর্থাৎ

শাড়ি, গজ কাপড়,বোরকা, সেলোয়ার, ওড়না থ্রী পিস বিভিন্ন ধরনের কাপড়ের দাম বেশি নেয়, কারণ তাদের পজিশন সিকিউরিটি, দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল এগুলোর খরচ আছে। তাই ধনী গরিব প্রায় মানুষই এখন ফুটপাতের দোকানে কেনা কাটা করে । নাম প্রকাশে অন ইচ্ছুক এক মহিলা ক্রেতা জানান, একই জিনিস ফুটপাতে যেটা ৫০ টাকা গজ, মার্কেটে সেটা ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা গজ নেয়। আর তাছাড়া ফুটপাতের যত সহজে ক্রয় করা যায় মার্কেটে ততটা সহজে কেনা কাটা করা যায় না।শিশু ক্রেতা জারিফ খান বলেন,আম্মা আর দাদু আমার জন্য ঈদের জামা কিনে দিয়েছে আমি খুব খুশি। বিক্রেতা কাইয়ুম জানান,শাড়ি, গজ কাপড়, সেলোয়ার, ওড়না বিভিন্ন ধরনের কাপড় এনে বসে রইলাম বেতন হলে বিক্রি করবো আশায়, আজ ১৭ রমজান চলে যায় গার্মেন্টস ও বিভিন্ন অফিসে বেতন হলো কোও তেমন বেচাঁ হচ্ছে না।দোকান মালিক আব্দুর রফিক বলেন,এবার অবস্থা ভালো না ৪ বছর যাবত এখানে দোকান করি অন্য বছরের তুলনায় এবার বেচাঁ খুব কম।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page