শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভূঞাপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের দায়ে তিনজনকে জরিমানা ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে ধরা পড়েছে ৩৩ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছ মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার গ্রেফতার-১ ভূঞাপুরে জুলাই যোদ্ধা ও ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য হাছানকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার ভূঞাপুরে তিন মাদকসেবীকে চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘাটাইল লোকেরপাড়া আলহাজ্ব হাফেজ শায়খ আনিসুর রহমান খান(রাহি:) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা মুহাম্মাদিয়া হাফিজিয়া ও নুরানী শিক্ষার্থীদের ছবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অবশেষে বদলি করা হলো  সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়া সেই পরিদর্শকাকে ভূঞাপুর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে পোস্ট সংবাদকর্মীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ভূঞাপুরে একটি ট্রাকভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ভূঞাপুরে যমুনায় অনুমোদনবিহীনভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৭ জনকে ৪ লাখ টাকা অর্থদন্ড
ক্ষতিকর পোকা দমনে হাতে নেয়া হয়েছে আলোর ফাঁদের কর্মসূচি
/ ৪৮ Time View
Update : বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৯, ৫:২৫ অপরাহ্ন

লোকাল নিউজ ডেস্ক : টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর ক্ষতিকর পোকা দমনের আলোর ফাঁদের কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে । সারা দেশব্যাপি আলোর ফাঁদের বেশ জনপ্রিয়তা বাড়ছে বিষাক্ত নানা ধরণের ক্ষতিকারক পোকা দমনে। কীটনাশক ব্যবহারে যতটা না উপকার তার চেয়ে বেশি ক্ষতিকর পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের জন্য। এসব কিছু বিবেচনায় পোকা দমনে কীটনাশক ব্যবহারের বিকল্প পদ্ধতি আলোর ফাঁদ।

ধান, সবজি ও পুকুরের ক্ষতিকারক পোকা মাকড় দমনে আলোর ফাঁদ বেশ কার্যকর। আলোর ফাঁদের মাধ্যমে ধান ক্ষেতের জন্য উপকারী ক্ষতিকর পোকাও শনাক্ত করা সম্ভব হয়। পরিবেশ বান্ধব এ পদ্ধতি দেশব্যাপি কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।রোপা আমনের পাশাপাশি সবজি ক্ষেতের ক্ষতিকারক পোকা ধ্বংসে আলোর ফাঁদ ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহ উদ্দীপনা দিচ্ছেন কৃষি অধিদপ্তর। ইতোমধ্য প্রায় অর্ধশতাধিক আলোর ফাঁদ প্রর্দশনী কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।উপজেলার পৌরএলাকা, নিকরাইল, ফলদা, অর্জুনা, অলোয়া ও গোবিন্দাসী ইউনিয়নে প্রতি সপ্তাহে একবার করে আলোর ফাঁদের কার্যক্রম করেন ভূঞাপুর উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর।

আলোর ফাঁদের বিষয়ে ভূঞাপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার এস.এম রাশেদুল হাসান বলেন, বিষাক্ত কীটনাশকের বিকল্প হচ্ছে আলোর ফাঁদ। যা পরিবেশ বান্ধব একটি সহজ পদ্ধতি। কৃষকদের সুবিধাও রয়েছে। আলোর ফাঁদের ফলে উপকারি ড্যাম সেল ফ্লাই পোকা পাওয়া গেলেও ক্ষতিকর মাজরা পোকা, বাদামি গাছফড়িং পাওয়া যায় না তেমন। তবে এ পদ্ধতির ফলে কৃষকরা ধান ও সবজি ক্ষেতে পোকা খুব সহজেই দমন করতে পারবে আলোর ফাঁদে। এজন্য জমির পাশের আইলগুলোয় গাছের ডাল পুঁতে সেখানে ১ থেকে দেড় ঘণ্টা ১ টি সাদা বাল্ব জ্বালিয়ে রাখা হয়। এর নিচে ১ টি পাত্রে পানি রাখা হয়। অন্ধকারে পোকা-মাকড় বাল্বের আলোয় চলে আসে এবং গরম বাল্বের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে পানিতে পড়ে গিয়ে ক্ষতিকর পোকাগুলো মারা যায়।উপজেলার প্রায় অর্ধশতাধিক আলোর ফাঁদের মধ্য প্রায় ১৯ টি সন্ধ্যায় ৭ টার পরে আলোর ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে এলাকার কৃষক ও বিভিন্ন সবজি চাষিরা অংশগ্রহণ করেন। আলোর ফাঁদে পড়া পোকা মাকড়ের পরিচয় শনাক্ত করে তা চাষিদের বুঝিয়ে দেয়া হয় বলেও জানান এই কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার।

ভূঞাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জিয়াউর রহমান বলেন, আলোর ফাঁদ বর্তমানে কৃষকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে উঠেছে। এ পদ্ধতি গ্রহণে খুব দ্রুত ক্ষতিকর ও উপকারি পোকা শনাক্ত করা সম্ভব। যার ফলে পোকা নির্ণয় করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া যায় ফসলি জমির উপর। নিরাপদ ও বিষমুক্ত খাদ্য সংরক্ষণে আলোর ফাঁদের ভূমিকা অতুলনীয়।

জিয়াউর রহমান বলেন, পোকা দমনে আলোর ফাঁদ পদ্ধতি ব্যবহারে উপজেলার বিভিন্ন ব্লকের ধান ক্ষেতের জমির আইলে আলোর ফাঁদ স্থাপন করা হয়। কৃষকদের অংশগ্রহণে বুঝিয়ে দেয়া হয় আলোর ফাঁদের উপকারিতা। ক্ষতিকর পোকা দমনে আলোর ফাঁদের কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। আমরা কৃষকদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতাসহ নানা ভাবে মাঠ পর্যায়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছি ।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page