ঘাটাইল প্রতিনিধিঃ করোনা ভাইরাস আতঙ্ক ও সরকারি নিষেধাজ্ঞায় ঢাকা টাংগাইল মহাসড়কে গনপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকায় পাইকারি ক্রেতার অভাবে তা বিক্রি করা যাচ্ছে না উৎপাদিত সবজি। স্থানীয় ভাবে আসা ক্রেতাদের নিকট স্বল্পমূল্যে কিছু সবজি বিক্রি করা গেলেও ন্যায্য মূল্য পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে উৎপাদিত সবজি বাজারে নিতে রিকশা বা ভ্যান ভাড়াও পাচ্ছেন না কৃষকরা । সবজি বিক্রি করতে গিয়ে রিকশা ও ভ্যানের খরচ উঠাতে পারছে না চাষিরা।

উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের সুনটিয়া গ্রামের কৃষক আঃ ছালাম জানান, দেড় বিঘা জমি ধুন্দুল চাষ করেছি। বতর্মানে সবজির দাম এতো কম যা উৎপাদিত খরচ ও শ্রমিক খরচ উঠাতে হিমশিম খেতে হয়। মৌসুমের শুরুতেই করোনা আতংকের পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকায় সবজি বাজারজাত করতে না পারায় ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।
জামুরিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়াডের ইউপি সদস্য বলেন, প্রতিবছরে ন্যায় এবার আঃ সালাম দেড় বিঘা জমিতে ধুন্দুল চাষ করেছে। এখান থেকে যে আয় হয় তা সন্তাদের লেখা পড়া সহ সংসার পরিচালনা করেন। কিন্ত করোনা ভাইরাসের কারনে আশানুরুপ দাম না পাওয়া লোকসানের পড়ে ঋনের বোঝা টানতে হবে।তাই তিনি জন প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে বলেন, এসব চাষিদের কাছ থেকে সবজি কিনে খাদ্য সামগ্রীর সঙ্গে যোগ করে বিতরন করার আহবান করেন। তানা হলে এ বছর লাভের মুখ দেখার পরিবর্তে বড় ধরনের লোকসানের বোঝা বইতে হবে। সবজি বাজারে আনা হলেও আশানুরুপ দাম পাচ্ছে না কৃষকরা । ফলে এবছর যে কৃষকের যে ক্ষতি হবে,কৃষক হিসেবে তা কাটিয়ে কঠিন হবে বলে তিনি জানান।
উপসহকারি কৃষিকর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন বলেন , কৃষক আঃ সালাম তার পরামর্শ ক্রমে সবজি চাষ বাম্পার ফলন ফলিয়েছেন। কিন্তু করোনা ভাইরাসের প্রভাবে কারনে পবিহন বন্ধ থাকায় বাজারে পাইকারী না আসায় আশানুরুপ দাম পাচ্ছে না। বর্তমান সরকার কৃষকদের মাঝে প্রনোদনা দেয় তাহলে তারা ক্ষতি পুষাতে পারবে এবং সবজি চাষে আগ্রহ বাড়বে বলে তিনি মনে করেন।


