নিজস্ব প্রতিবেদক: ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের উদ্যোগে ‘মাহে রমাযানের গুরুত্ব শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এখলাসুর রহমান রিয়াদের সভাপতিত্বে ও সহ সাধারণ সম্পাদক রিদওয়ান মাজহারী ও সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসার আহমদের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তের দফতর সম্পাদক মাওলানা আব্দুল গাফফার ছয়ঘরি, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মুফতী মাহবুবুল আলম।প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি বলেন, আমরা চাই ছাত্র জমিয়ত একটি ব্যতিক্রমী কাফেলা হবে। আর সেই কাফেলার ব্যতিক্রমী দিকগুলো অন্যান্য ছাত্রদেরকে এই সংগঠনে যুক্ত হতে উৎসাহিত করবে।তিনি বলেন, আজকের ছাত্র জমিয়ত আগামীতে দেশ, সমাজ-রাষ্ট্র, প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য যোগ্য হয়ে উঠবে। এখন প্রয়োজন হিংসা ও বিদ্বেষমুক্ত সহনশীল নেতৃত্বের। মনে রাখতে হবে- হিংসা, বিদ্বেষ, অনৈক্য এগুলো যত বাড়তে থাকে জাতি ততবেশি সৎ এবং উপযুক্ত নেতৃত্ব থেকে বঞ্চিত হয়।তিনি আরো বলেন, জাতিকে উপযুক্ত নেতৃত্ব থেকে বঞ্চিত করার কোন অধিকার আমাদের নেই। আমাদের কাজ, মিশন-ভিশন হলো, দেশ ও জাতির জন্য উপযুক্ত নেতৃত্ব তৈরী করা আর এই যায়গায় প্রধানত যেগুলো বাঁধা হয়ে দাড়ায় তা হলো হিংসা, বিদ্বেষ ও অহংকার।সভাপতির বক্তব্যে ছাত্র জমিয়তের কেন্দ্রীয় সভাপতি এখলাসুর রহমান রিয়াদ বলেন, রাজনৈতিক পথ কণ্টকাকীর্ণ পথ। এই কণ্টকাকীর্ণ পথ অতিক্রম করে ছাত্র জমিয়ত কর্মীদের আগামীর জন্য যোগ্য হয়ে উঠতে হবে। শিক্ষা-দীক্ষা ও প্রশিক্ষণ মূলক সংগঠনের নাম ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ। এই পথ চলাকে আরো শানিত করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- ছাত্র জমিয়ত ঢাকা মহানগরীর সাবেক সভাপতি মাওলানা বোরহান উদ্দিন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারজানুল বারী সিরাজী, ছাত্র জমিয়তের কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নূর হোসাইন, ঢাকা উত্তরের সভাপতি রফিকুল ইসলাম’সহ ঢাকা মহানগর উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিমের দায়িত্বশীলবৃন্দ।


