শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভূঞাপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের দায়ে তিনজনকে জরিমানা ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে ধরা পড়েছে ৩৩ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছ মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার গ্রেফতার-১ ভূঞাপুরে জুলাই যোদ্ধা ও ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য হাছানকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার ভূঞাপুরে তিন মাদকসেবীকে চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘাটাইল লোকেরপাড়া আলহাজ্ব হাফেজ শায়খ আনিসুর রহমান খান(রাহি:) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা মুহাম্মাদিয়া হাফিজিয়া ও নুরানী শিক্ষার্থীদের ছবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অবশেষে বদলি করা হলো  সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়া সেই পরিদর্শকাকে ভূঞাপুর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে পোস্ট সংবাদকর্মীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ভূঞাপুরে একটি ট্রাকভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ভূঞাপুরে যমুনায় অনুমোদনবিহীনভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৭ জনকে ৪ লাখ টাকা অর্থদন্ড
ভূঞাপুরে আধুনিক ভাবে সেঁচ পাম্পে ইরি ধান চাষ
/ ৫৩ Time View
Update : সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯, ৯:৫০ অপরাহ্ন

আ: রশিদ তালুকদার : টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের চরাঞ্চলের ছোট নলছিয়া পাড়া গ্রামের শুকুর আলীর সেঁচ পাম্পঃ- আজ থেকে ২০ বছর আগে যমুনা নদীর যখন তীব্র ভাঙ্গন ছিলো তখন কেউ চিস্তা করতে পারেনি যে, এই যমুনাতে এক সময় ইরি রোপন করা সম্ভব হবে। সেই নদী এখন প্রায় মরুভূমি হিসাবে ব্যবহার হয়। যমুনা নদীর চরগুলো এখন পরিপূর্ণ ফসলে ভরে যাচ্ছে, কৃষকদের মুখে প্রচন্ড হাঁসি কারো মধ্যে কোন অভাবের লেশ মাত্র নেই, সেই নদীতে এখন ইরি ধান চাষ হচ্ছে। ফলনও ভালো, শুকুর আলী কৃষক, জমি জমা তেমন নেই কিন্তু এখন অনেক ভালো চলে, এক সময় অনেক কষ্ট করত, তার বয়সে কত বার বাড়ী ভেঙ্গে বিলীন হয়েছে যমুনা নদীতে তার কোন হিসাব নেই, যমুনা নদীর সাথে যুদ্ধ করে আজও টিকে আছে।
একটু জমিতে ইরি ধান চাষ করছে। কিন্তু পানি দেবার কোন আধুনিক যন্ত্র তার না থাকার ধরুন পুরোনো আমলের সেই কাঠ আর বাঁশ দিয়ে বানিয়ে ফেলছেন সেচ যন্ত্র। শুকুর আলীর সাথে কথা বল্লে তিনি বলেন এই ৬০ বছর বয়সেও আমি অনেক শক্তিশালী পরিশ্রম করতে পারি ছোট খাটো রোগ আমাকে ধরতে পারে না, কাজ শেষে আমি প্রতিদিন চোঁখে কাজল মেখে ভালো কাপড় পরিধান করে গ্রামের বাজারে সবার সাথে আড্ডা দেই।
আগে গ্রামে কোন হাট বাজার ছিল না বাড়ী থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে গোবিন্দাসী বাজার থেকে বাজার এনে খাইতে হতো, কিন্তু এখন আর হাঁটতে হয় না আমাদের এলাকাতেই এখন দুটি হাট হয়েছে আমরা প্রতিদিন এখান থেকেই বাজার করতে পারি। তবু স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য প্রতিদিন ৬-৭ কিলোমিটার রাস্তা হাটি। ধানের আবাদ ভালো হয়েছে আশা করি উপর ওলা সহায় থাকলে ভালো ফলন পাবো।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page