শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভূঞাপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের দায়ে তিনজনকে জরিমানা ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে ধরা পড়েছে ৩৩ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছ মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার গ্রেফতার-১ ভূঞাপুরে জুলাই যোদ্ধা ও ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য হাছানকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার ভূঞাপুরে তিন মাদকসেবীকে চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘাটাইল লোকেরপাড়া আলহাজ্ব হাফেজ শায়খ আনিসুর রহমান খান(রাহি:) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা মুহাম্মাদিয়া হাফিজিয়া ও নুরানী শিক্ষার্থীদের ছবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অবশেষে বদলি করা হলো  সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়া সেই পরিদর্শকাকে ভূঞাপুর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে পোস্ট সংবাদকর্মীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ভূঞাপুরে একটি ট্রাকভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ভূঞাপুরে যমুনায় অনুমোদনবিহীনভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৭ জনকে ৪ লাখ টাকা অর্থদন্ড
ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে অনুমোদনবিহীনভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে সাড়ে ৪ লাখ টাকা অর্থদণ্ড
/ ১১১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৬ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে অনুমোদন ছাড়া বালু উত্তোলনের দায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তিনজনকে মোট সাড়ে ৪ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অনাদায়ে প্রত্যেককে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) উপজেলার যমুনা নদীর বিভিন্ন এলাকায় বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব হাসান।
বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী পরিচালিত মোবাইল কোর্টে অনুমোদন ছাড়াই যমুনা নদী থেকে বালু উত্তোলনের দায়ে তিন ব্যক্তিকে মোট ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের পলশিয়া এলাকার ছালাম (৫৫), একই ইউনিয়নের পুনর্বাসন এলাকার চান মিয়া (৪০), এবং রফিক। মোবাইল কোর্টে তিনজনের প্রত্যেককে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে মোট ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। নির্ধারিত অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রত্যেককে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যমুনা নদী থেকে অনুমোদন ছাড়া বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙনসহ পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ধরনের অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ায় ভাঙ্গন বন্ধ হতে পারে ।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম রেজাউল করিম, এসআই লাল মিয়া, নৌ পুলিশের সদস্যবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব হাসান বলেন , অনুমোদন ছাড়া নদী থেকে বালু উত্তোলনসহ বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page