অসুস্থতায় নিভে গেছে দুচোখের আলো, চিকিৎসায় নিঃস্ব হৃদয়ের পরিবার
নিজস্ব প্রতিবেদক-স্কুল জীবনের মেধাবী ছাত্র হদয়। ছোটবেলা থেকেই প্রত্যেক ক্লাসে ভালো ফলাফল করতেন।
এক চোখের আলো হারিয়ে এসএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪ পয়েন্ট পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। স্বপ্ন দেখতেন বড় হয়ে দেশ ও দশের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখার। সেই স্বপ্ন আজ ডাকা পড়েছে কালো চশমার আড়ালে। গুরুতর অসুস্থ হয়ে একে একে হারিয়েছে দুচোখের আলো। মা-বাবার সহযোগীতা ছাড়া অন্ধত্ব জীবন যেন তার পুরোটাই বৃথা। দিন দিন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে তার জীবন, ধুলিস্যাৎ হয়ে গেছে মা-বাবার স্বপ্ন। বলছিলাম টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার মেধাবী ছাত্র হৃদয়ের কথা।সকলের আর্থিক ও সার্বিক সহযোগিতায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরে পৃথিবীর আলো দেখতে চায় হৃদয়।
এক চোখের আলো হারিয়ে এসএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪ পয়েন্ট পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। স্বপ্ন দেখতেন বড় হয়ে দেশ ও দশের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখার। সেই স্বপ্ন আজ ডাকা পড়েছে কালো চশমার আড়ালে। গুরুতর অসুস্থ হয়ে একে একে হারিয়েছে দুচোখের আলো। মা-বাবার সহযোগীতা ছাড়া অন্ধত্ব জীবন যেন তার পুরোটাই বৃথা। দিন দিন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে তার জীবন, ধুলিস্যাৎ হয়ে গেছে মা-বাবার স্বপ্ন। বলছিলাম টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার মেধাবী ছাত্র হৃদয়ের কথা।সকলের আর্থিক ও সার্বিক সহযোগিতায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরে পৃথিবীর আলো দেখতে চায় হৃদয়।টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের তাড়াই গ্রামের দিনমজুর রফিকুল ও গৃহিণী আমিনা দম্পতির ছেলে হৃদয়। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে হৃদয় সবার ছোট। বড় ভাই বিয়ে পর করছেন আলাদা সংসার, বিয়ে পর স্বামীর বাড়ি চলে গেছেন বোন। হৃদয়ের যখন সাত বছর বয়স তখন হঠাৎ করেই সারা শরীরে এলার্জিজনিত সমস্যা দেখা দেয়। চিকিৎসায় এলার্জি ভালো হলেও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার হারিয়ে ফেলে একটি চোখের আলো। মানুষের সহযোগীতায় ইন্ডিয়ায় চিকিৎসা নেন হৃদয়, চিকিৎসার কারনে ২৪ সালে এসএসসি পরিক্ষা দিতে পারেনি। পরের বছর পরিক্ষা দিয়ে ভালো রেজাল্ট করে হৃদয়। চিকিৎসার অভাবে বর্তমানে তার দুচোখই নষ্ট হয়ে গেছে। চলতে পারছেনা মা-বাবার সহযোগীতা ছাড়া। ইতিমধ্যে হৃদয়ের চিকিৎসায় নিঃস্ব হয়েছে পরিবার। হৃদয়ের মা আমিনা বেগম বলেন, দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল সহ ভারতে চিকিৎসা করে আজ আমরা নিঃস্ব। এখন আমার ছেলের দুই চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। ভারতে নিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। ভারতে নেয়ার মতো আমাদের এখন আর কোন অবস্থা নেই। সবাই যদি সহযোগিতার করে তাহলে আমার ছেলে আবার তার চোখের আলো ফিরে পাবে।হৃদয়ের সহপাঠীরা জানান, হৃদয় আমাদের সাথে লেখাপড়া করেছে। একচোখ অন্ধ অবস্থায় এসএসসি পরিক্ষা দিয়ে ভালে রেজাল্ট করেছে। কিছুদিন আগে তার অপর চোখটিও নষ্ট হয়ে যায়। এখন পুরোপুরি অন্ধ হয়ে গেছে। হৃদয়ের চোখের আলো ফিরে পেতে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। আবার চোখের আলো ফিরে পেয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে সহপাঠীদের সাথে শিক্ষাঙ্গনে ফিরতে চায় হৃদয়। হৃদয়কে সব ধরনের সহযোগীতার কথা জানান উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার নাজমুল হাসান।
আপনার মতামত লিখুন :
Leave a Reply
More News Of This Category
Our Like Page


