শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভূঞাপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের দায়ে তিনজনকে জরিমানা ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে ধরা পড়েছে ৩৩ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছ মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার গ্রেফতার-১ ভূঞাপুরে জুলাই যোদ্ধা ও ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য হাছানকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার ভূঞাপুরে তিন মাদকসেবীকে চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘাটাইল লোকেরপাড়া আলহাজ্ব হাফেজ শায়খ আনিসুর রহমান খান(রাহি:) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা মুহাম্মাদিয়া হাফিজিয়া ও নুরানী শিক্ষার্থীদের ছবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অবশেষে বদলি করা হলো  সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়া সেই পরিদর্শকাকে ভূঞাপুর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে পোস্ট সংবাদকর্মীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ভূঞাপুরে একটি ট্রাকভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ভূঞাপুরে যমুনায় অনুমোদনবিহীনভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৭ জনকে ৪ লাখ টাকা অর্থদন্ড
ভূঞাপুরে একযোগে নয়টি প্রতিমা বিসর্জন
/ ৭৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৯, ৭:২৮ অপরাহ্ন


আলমগীর তালুকদার ভূঞাপুর :
টাংগাইলের ভূঞাপুরে শারদীয় দুর্গোৎসবে মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সকাল থেকে পূজামন্ডপগুলোতে দেবীকে বিসর্জন দেন বিভিন্ন নদী,খাল ও পুকুরে। বিকেল ০৩:৪৯ ঘটিকা থেকে ০৪:৪৯ ঘটিকার মধ্যে প্রতিমা বিসর্জন দেয়ার জন্য মন্ডপ থেকে বাহির করা হয়।সুর্যাস্থের সাথে সাথে ভূঞাপুর স্লুইচগেটে এসব প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়।


জানা গেছে পঞ্চম তিথিতে দেবীর আমন্ত্রণ আর অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। ষষ্ঠ তিথির ঊষালগ্নে নবপত্রিকা সন্ধান শেষে চক্ষুদানের মধ্য দিয়ে প্রাণসঞ্চার করা হয়েছিল দেবীর মৃন্ময়ীতে। শাস্ত্র অনুযায়ী, শাপলা, শালুক ও বলিদানের মাধ্যমে মহানবমী পূজা হয়। অষ্টমী তিথিতে দেবী মহালক্ষ্মীরূপা বৈষ্ণবী শক্তি। দেবী সেদিন রাজরাজেশ্বরী মূর্তি দু’হাতে বর দেন ভক্তদের।শ্রেষ্ঠ উপাচার সেদিন নিবেদিত হয় পদ্ম, জবা, অপরাজিতা, বেলপাতা কত রকমের ফুলমালায় মাকে সাজানো হয়।


আচারের মধ্য দিয়ে নবমী সন্ধিক্ষণে অনুষ্ঠিত হয়েছিল সন্ধিপূজা। মহিষাসুর নিধনের সময় দেবী দুর্গা প্রচুক্রোধে কৃষ্ণবর্ণ রূপ ধারণ করেছিলেন। তাই পূজার এই আচারের সময় দেবীকে চামুন্ডা রূপে পূজা করা হয়ে থাকে অর্থাৎ যিনি ও মুরে বিনাশিনী। পূজার এই মুহূর্তটি আরও একটি কারণে স্মরণীয়। দেবী দুর্গার আশীর্বাদ নিয়ে শ্রীরামচন্দ্র এই মুহূর্তেই রাবণকে বধ করেছিলেন। মর্ত্য ছেড়ে কৈলাশে স্বামীগৃহে ফিরে গেলেন দেবী দুর্গা,এদিন বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এই উৎসব। প্রতিমা সামনে রেখে সিদুরের ছরাছটি আর নাচ গানের উৎসবে মেতে ছিলেন সনাতন ধর্মের মানুষগুলো, পৃথিবীতে দেবী দুর্গার আগমনে যেমন উৎফুল্ল হন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তেমনি বিদায় ঘিরে বাজতে শুরু করে বিচ্ছেদের সুর।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page