শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভূঞাপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের দায়ে তিনজনকে জরিমানা ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে ধরা পড়েছে ৩৩ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছ মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার গ্রেফতার-১ ভূঞাপুরে জুলাই যোদ্ধা ও ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য হাছানকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার ভূঞাপুরে তিন মাদকসেবীকে চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘাটাইল লোকেরপাড়া আলহাজ্ব হাফেজ শায়খ আনিসুর রহমান খান(রাহি:) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা মুহাম্মাদিয়া হাফিজিয়া ও নুরানী শিক্ষার্থীদের ছবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অবশেষে বদলি করা হলো  সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়া সেই পরিদর্শকাকে ভূঞাপুর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে পোস্ট সংবাদকর্মীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ভূঞাপুরে একটি ট্রাকভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ভূঞাপুরে যমুনায় অনুমোদনবিহীনভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৭ জনকে ৪ লাখ টাকা অর্থদন্ড
কালিহাতীতে মালিকানা দ্বন্দে সেচ পাম্প বন্ধ লোকসান গুনতে হবে কৃষকদের
/ ৫৩ Time View
Update : সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১, ৪:৩৭ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার চামুরিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামে মালিককানা দ্বন্দে বন্ধ রয়েছে সেচ পাম্প। ফলে চলতি বোরো মৌসুমে ধানের চারা রোপন করতে না পেরে বিপাকে পড়েছে ১৫০ বিঘা আবাদি জমির কৃষকেরা। দফায় দফায় সমাধানের চেষ্টা করলেও এ পর্যন্ত চালু হয়নি ওই সেচ পাম্প। দ্রুত সমাধান করে পাম্পটি চালুর দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কৃষকেরা।এর দ্রুত সমাধান না হলে বড় ধরনের লোকসান গুনতে হবে সাধারন কৃষকদের।

জানা যায়, ১৯৯১ সালে মেহেদী হাসান, মতিউর রহমান খান ও আব্দুল হামিদ খান যৌথভাবে ওই সেচ পাম্পটি চালু করেন। এরপর ১৯৯৮ সালে অর্ধেক শেয়ার খন্দকার নাসির উদ্দিন, খন্দকার কামাল হোসেন ও খন্দকার হোসেন আলীর কাছে বিক্রি করেন। নাসিরের নেতৃত্বে পাম্পটি পরিচালনা হতে থাকে। ২০০৯ সাল পর্যন্ত নাসিরের নেতৃত্বেই পাম্পটি পরিচালিত হয়। ২০১০ সালে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের কাছ থেকে ওই গ্রামের তজিম উদ্দিন, আব্দুল করিম, খন্দকার কামাল, খন্দকার হোসেন আলী, মো. ফজলু, মো. রোকনুজ্জামান, মো. আনোয়ার হোসেন ও মো. মিজানুর রহমানের নামে রেজিষ্ট্রেশন করে নেন। রেজিষ্ট্রেশনের পর তাদের মধ্যে খন্দকার কামাল, হোসেন আলী ও রোকনুজ্জামানকে বাদ দিয়ে দেন।এ ছাড়াও আনোয়ার হোসেন মৃত্যুবরণ করেন। তজিম উদ্দিন, মিজানুর রহমান আ. করিম ও ফজলু ভোগ দখল করতে থাকে। ২০১০ সালেই নাসির উদ্দিন মালিকানার দাবিতে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি প্রায় ১১ বছর চলার পর চলতি বছরের গত ৩ জানুয়ারি আদালত নাসির উদ্দিনের পক্ষে রায় দেন। নাসির পাম্প চালাতে গেলে প্রতিপক্ষরা তাকে বের করে দিয়ে মেশিন ঘরে তালা লাগিয়ে দেয়। বর্তমানে ওই পাম্পটি বন্ধ রয়েছে। অপর দিকে তমিজ উদ্দিনরা আদালতে আপিল করেছেন।কৃষক ফজলু মিয়া, হামিদ মন্ডল ও তুলা প্রামানিক বলেন, ‘আশে পাশের গ্রামের ধানের চারা লাগানোর পর ক্ষেত সবুজ হয়ে গেছে। আজও পর্যন্ত আমরা ধানের চারা লাগাতে পারলাম না। মালিকদের দ্বন্দে আমরা বিপদে আছি। আমরা দ্রুত সমাধান চাই। আমাদের জমি চাষ করতে চাই।’ওসমান মিয়া, জুরান আলী ও কুদরত আলী নামের অপর কৃষকেরা বলেন, ‘ধানের চারা লাগানোর পর পানির অভাবে ধান গাছ মরতে শুরু করেছে। মালিকদের মালিকানা সমস্যার কারণে আমরা ধান চাষ নিয়ে বিপদের মধ্যে আছি। এবার বোরো মৌসুমের ধান চাষ নিয়ে শঙ্কায় আছি।৫০ বিঘার মতো জমিতে ধানের চারা লাগানো হয়েছে। পানির অভাবে সেগুলো মরতে শুরু করেছে।কালিহাতী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ফারহানা মামুন বলেন, ‘সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা তানজীন অন্তরা বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট এলাকায় লোক পাঠিয়েছিলাম। উভয় পক্ষকে ডেকে দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধান করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page