শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভূঞাপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের দায়ে তিনজনকে জরিমানা ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে ধরা পড়েছে ৩৩ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছ মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার গ্রেফতার-১ ভূঞাপুরে জুলাই যোদ্ধা ও ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য হাছানকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার ভূঞাপুরে তিন মাদকসেবীকে চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘাটাইল লোকেরপাড়া আলহাজ্ব হাফেজ শায়খ আনিসুর রহমান খান(রাহি:) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা মুহাম্মাদিয়া হাফিজিয়া ও নুরানী শিক্ষার্থীদের ছবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অবশেষে বদলি করা হলো  সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়া সেই পরিদর্শকাকে ভূঞাপুর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে পোস্ট সংবাদকর্মীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ভূঞাপুরে একটি ট্রাকভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ভূঞাপুরে যমুনায় অনুমোদনবিহীনভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৭ জনকে ৪ লাখ টাকা অর্থদন্ড
টাঙ্গাইলে মাদকাসক্ত ছেলেকে এফিডেভিটের মাধ্যমে বাবার ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা
/ ৪৮ Time View
Update : শনিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৯, ৮:০৪ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক :টাঙ্গাইলে মাদকাসক্ত ছেলেকে এফিডেভিটের মাধ্যমে ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা করেছেন শামসুল হক নামে এক বীরমুক্তিযোদ্ধা। তার বাড়ি দেলদুয়ার উপজেলার ঝুনকাইল গ্রামে। বাবার নাম মৃত ফয়েজ উদ্দিন।

মঙ্গলবার দুপুরে নোটারি পাবলিক, টাঙ্গাইল আদালতে হাজির হয়ে নিজের ছোট ছেলে আজাহারুল হক জয়কে (২৩) এফিডেভিটের মাধ্যমে ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা করেন তিনি। পরে স্থানীয় একটি পত্রিকায় এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি দেন।

শামসুল হক জানান, ৮ম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় তার ছেলে আজাহারুল বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে ইয়াবা সেবন করা শুরু করে। মাদকাসক্ত অবস্থায় ২০১৪ সালে এসএসসি পাস করে বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়। কিন্তু সেখানে কোর্স শেষ করতে পারেনি।

মাদক সেবনের টাকার জন্য প্রতিনিয়ত সে বাসায় চাপ দিতো। না দিলে ফার্নিচার ভাঙচুরসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতো। এছাড়া মাঝে মধ্যেই ৪/৫ দিন নিরুদ্দেশ থাকতো। এখনও সে নিরুদ্দেশ আছে। একাধিকবার নিরাময় কেন্দ্রে দিয়েও তাকে মাদকমুক্ত করা যায়নি।

তিনি আরও বলেন, আজাহারুল হক আমার অবাধ্য ছেলে। সে সমাজে এমন সব অপকর্ম করে বেড়ায় যার জন্য আমাকে চরম হেয় প্রতিপন্ন হতে হয়। আমার কোনো কথা শোনে না। তাকে বুঝাতে গেলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে। তার কার্যকলাপের জন্য পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্খিদের পরামর্শক্রমে তাকে ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা করলাম। এখন থেকে আজাহারুল হক জয় আমার ছেলে না। আমার জীবদ্ধশায় সে কোনো প্রকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করতে পারবে না। তার সকল প্রকার অপকর্মের জন্য আমি ও আমার পরিবার দায়ি নই বলে নোটারি পাবলিকে উল্লেখ করেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।

বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিসি) অ্যাডভোকেট এস আকবর খান । তিনি জানান, ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণার বিষয়টি আইনগতভাবে ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, শুধুমাত্র সমাজকে অবগত করার জন্য এ ধরনের অবাধ্য সন্তানের সঙ্গে সবধরনের সর্ম্পক ছিন্ন করার ঘোষণা এফিডেভিটের মাধ্যমে দেয়া হয়ে থাকে। এমন ঘোষণার ফলে কেউ আইনগতভাবে ত্যাজ্যপুত্র হয় না। এছাড়া যাকে ত্যাজ্য করা হয়েছে সে সম্পত্তি এবং ওয়ারিস থেকেও বঞ্চিত হবে না।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page