নিজস্ব প্রতিবেদকঃ টাঙ্গাইলে ৪র্থ শ্রেনীর শিক্ষার্থী শান্তা আক্তারকে (৯) ধর্ষন ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে এ ঘটনায় টাঙ্গাইল থানা পুলিশ রাতেই এ ঘটনায় জিঞ্জাসাবাদের জন্য ৪জনকে আটক করেছে।

(৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের মিরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার সকালে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
নিহতের চাচাতো ভাই মো: রফিক বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে শান্তা বাড়ির পাশের আঁখ ক্ষেতে আঁখ আনতে যায়। এরপর আর বাড়ি ফিরে আসেনি। পরে সন্ধ্যায় বাড়ির লোকজনের ডাক-চিৎকারে আমি ওদের বাড়িতে যাই। পরে আমি ও নিহতের পরিবারের লোকজন আখ ক্ষেতে খুজতেই সেখানে কিছু আঁখ ও শান্তার ব্যবহার করা মাথার ব্যান্ড পড়ে থাকতে দেখি। এরপর আরো খোজাখুজির পর পাশের কচু ক্ষেতে কচু পাতা দিয়ে ঢাকা শান্তার লাশ পাওয়া যায়। এসময় ওর শরীলে জখমের চিহ্ন ও গলায় ওরনা পেচানো ছিলো।
নিহতের বাবা সাদেক হোসেন বলেন, আমার তো কারো সাথে কোন শক্রতা নেই তাহলে কেন আমার মেয়ের এমন হলো। যারা আমার মেয়েকে ধর্ষনের পর হত্যা করেছে আমি তাদের ফাঁসি চাই।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মোশারফ হোসেন বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে পৌছে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরন করেছি। প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে শিশুটিকে প্রথমে ধর্ষন ও পরে শ্বাসরোধ হত্যা করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রির্পোট পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে। এছাড়াও ঘটনার দিন রাতেই জিঞ্জাসাবাদের জন্য একই এলাকার ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। আমরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছি। আশাকরি খুব দ্রুত আসামীদের গ্রেফতার করতে পারবো।


