নিজস্ব প্রতিবেদক:টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চলে মহিষমারা গ্রামের সানোয়ার হোসেন গড়ে তুলেছেন কফির বাগান।এই কফি চাষ করে ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে চান সানোয়ার হোসেন।এখন বাগানে শোভা পাচ্ছে গাছ ভরা কফি।প্রতিদিন তার কফি বাগান দেখতে ভিড় করছেন শত শত মানুষ।

গাছের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত কফিতে ভরপুর।এই কফিবাগান দেখতে এসে অনেকেই কফি চাষ করার আগ্রহ প্রকাশ করছেন। কফি চাসী সানোয়ার হোসেন জানান , চা-কফি খাওয়ার নেশা থেকেই বান্দরবনের রায়খালী কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে ২০১৭ সালে ২০০ চারা কিনে আনেন তিনি। দুই বছর পর গেল বছর অল্প কিছু ফল আসে। এবছর গাছগুলোর ফলন খুব ভালো পাকতেও শুরু করেছে । বাগানটিতে বিভিন্ন সাথী ফসলের পাশাপাশি ৪৫০টি কফি গাছ রয়েছে। সানোয়ার হোসেন আরো জানান, প্রতি গাছে দুই কেজির মতো ফল পাওয়া যায়। তা শুকিয়ে প্রায় ২৫০ গ্রামের মত হয়। তবে যন্ত্রের অভাবে কফির প্রক্রিয়াজাত করা যাচ্ছে না। কর্তৃপক্ষ কফি প্রক্রিয়াজাতকরণের যন্ত্র প্রদান করলে পাহাড়ি অঞ্চলে কফি চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে। এই কফি চাষে তার ভাগ্যের উন্নয়ন হবে তিনি আশা করেন।কফি বাগান দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা দর্শনার্থী অভি, আব্দুল লতিফ তালুকদার আরও অনেকেই বলেন, তারা কফি চাষি সানোয়ারের খুবই লাভজনক উদ্যোগ। এদিকে করোনাকালীন সময়ে সানোয়ারের কফি বাগানে কাজ করে কর্মসংস্থান হয়েছেন অনেকের। কফি চাষের বিষয়ে টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আহ্সানুল বাশার বলেন, মধুপুরের পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া কফি চাষের জন্য উপযোগী। কফি চাষের জন্য কৃষকদের প্রযুক্তিগত সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে।


