নিজস্ব প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলে সেনাবাহিনীতে চাকুরী দেওয়ার নাম করে হাতিয়ে নিয়েছে ২৭ লাখ টাকা,চাকুরীতে যোগদানের নামে প্রার্থীদের গুম করেছে দালাল চক্র।

সেনা সদস্য মো. কনক (ব্যাচ নং-২২০৭৬২৮) ও তার সাথে থাকা দালাল চক্র সেনাবাহিনীতে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে ঘাটাইল, গোপালপুর ও জামালপুর সদর থেকে ২৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে তিন উপজেলার তিন প্রার্থীকেই গায়েব করে দিয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ ভুক্তভুগী সন্তান হারা ঐ তিন পরিবারের। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগকারী- (১) ঘাটাইল উপজেলার রসুলপুর গ্রামের আব্দুল আজিজ মিয়ার স্ত্রী সমুলা খাতুন, (২) গোপালপুর উপজেলার মজিদপুর গ্রামের মৃত আজাহার আলীর ছেলে মো. নাছিম উদ্দন, (৩) জামালপুর সদর উপজেলার জোয়ানেরপাড়া গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের পুত্র ঠান্ডা মিয়া।
লিখিত বক্তব্যে পরিবারবর্গ বলেন, ধনবাড়ী উপজেলার মুসুদ্ধী গ্রামের মো. আবুতালেব এর ছেলে (১) মো. কনক (২৮), একই উপজেলার ইসপিঞ্জারপুর গ্রামের মাখন মিয়ার ছেলে (২) মো. আকরাম ও মুসুদ্ধি দক্ষিনপাড়া গ্রামের মৃত মুনসুর আলির ছেলে (৩) মো. তালেব মিয়া, বন্দ টাকুরিয়া গ্রামের ছোরহাব আলীর ছেলে (৪) মো. আনোয়ার হোসেন (৪০), এবং জামালপুর জেলার জামালপুর সদর এলাকার কলাবাদা গ্রামের মো. আলালের ছেলে (৫) জহিরুল। ওরা আমাদের ছেলেদের সেনাবাহিনীতে চাকুরী দেবার নাম করে গত ১৮/১২/২০২৩ সালে সেনাবাহিনীর সিল মহর ব্যবহার করে ভূয়া নিয়োগপত্র দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয় এবং ছেলেদের চাকুরীতে জয়েন করতে বলে। পরে কয়েক মাস পার হয়ে যাওয়ারপর কোরবানির ঈদ চলে আসে। এর আগে ছেলেদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে দালাল চক্র বলে ট্রেনিং করতেছে এসময় কথা বলা নিষেধ পরে ঈদের দিন যখন ছেলের ফোন পাইনা তখন সন্দেহ হয়। কারন ঈদের দিন সবারই ছুটি থাকে সবাই তার পরিবারের সাথে কথা বলে কিন্তু আমার ছেলে কেন ফোন করে না। সন্দেহ হলে আমরা কনকের বাড়িতে যাই যেয়ে তাদের পাইনা পরে ক্যান্টনমেন্টে গিয়ে কনকের নামে অভিযোগ দায়ের করি। অফিসাররা বলেন, এটা একটা দালাল চক্র আপনাদের ছেলেদের কোন চাকুরী হয়নি। তবে খোজ নিয়ে দেখছি তারা কোথায় আছে বেছে থাকলে আপনাদের জীবিত ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে এবং টাকাও উদ্ধার করা হবে।কিন্তু দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও আমাদের ছেলেদের কোন খোজ পাচ্ছিনা আমরা হতাশ হয়ে পরেছি। তাই আপনাদের লিখনির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিআকর্ষন করছি যাতে আমাদের ছেলেদের যেন আমরা ফেরত পাই। আর ঐ অপরাধীদের যেন কঠিনতম শাস্তি হয়।


