শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভূঞাপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের দায়ে তিনজনকে জরিমানা ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে ধরা পড়েছে ৩৩ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছ মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার গ্রেফতার-১ ভূঞাপুরে জুলাই যোদ্ধা ও ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য হাছানকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার ভূঞাপুরে তিন মাদকসেবীকে চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘাটাইল লোকেরপাড়া আলহাজ্ব হাফেজ শায়খ আনিসুর রহমান খান(রাহি:) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা মুহাম্মাদিয়া হাফিজিয়া ও নুরানী শিক্ষার্থীদের ছবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অবশেষে বদলি করা হলো  সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়া সেই পরিদর্শকাকে ভূঞাপুর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে পোস্ট সংবাদকর্মীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ভূঞাপুরে একটি ট্রাকভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ভূঞাপুরে যমুনায় অনুমোদনবিহীনভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৭ জনকে ৪ লাখ টাকা অর্থদন্ড
গোপালপুর নগদাশিমলা ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে ভিজিডি কার্ডের চাউল আত্মসাতের অভিযোগ
/ ৬৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০১৯, ৯:৫০ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর নগদাশিমলা ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে ভিজিডি কার্ড চক্রের ২০১৯-২০ অর্থ বছরের ভিজিডি কার্ডের চাওল আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মাহিলা বিষায়ক কর্মকর্তাকে ফাকি দিয়ে ৮ টি ভিজিডি কার্ডের চাওল আত্মসাত করে ইউপি সচিব। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি অফিযোগ দিয়েছে এলাকার পক্ষে মোঃ আজহারুল ইসলাম।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায় নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় অতিদরিদ্র্র, নিরীহ, কমর্মক্ষ মানুয়ের জন্য সরকার ০২ বছর মেয়াদী ভিজিডি কার্ড বরাদ্দ দিয়ে থাকে। প্রতিককার্ডে বিনা মূল্যে মাসিক ৩০ কেজি চাউল পায় কার্ডধারী। চলতি ২০১৯-২০ ভিজিডি চক্রের ৩ মাসের চাউল গত ০৯/০৪/২০১৯ ইং তারিখে একত্রে বিতরনের সময় দেখা যায় ইউপি সচিব আঃ কদ্দুস ভূয়া নাম ঠিকানা দিয়ে ৮ টি কার্ড তৈরি করেছেন। এই ৮ টি কার্ডে ৭২০ কেজি চাউল পরিবহন খরচের নাম কওে কালো বাজারে বিক্রি করেন ইউপি সচিব।আর এই ভূয়া কার্ডধারীরা হলেন- রানী বেগম, স্বামী- তারা মিয়া, গ্রাম- চতিল, কার্ড নং- ২৬৬। অজুফা বেগম, স্বামী- শাহেদ আলী, গ্রাম-চতিলা, কার্ড নং-২৬৭। মমতাজ আক্তার, স্বামী- মিলন, গ্রাম- চতিলা, কার্ড নং- ২৬৮। মর্জিনা বেগম, স্বামী অঃ হালিম, গ্রাম- বাইশকাইল, কার্ড নং-২৬৯। কল্পনা বেগম, স্বামী- ছেকান্দর আলী, গ্রাম- জামতলী, কার্ড নং- ২৭১। রতœা আক্তার, স্বামী- শহিদ আলী, গ্রাম- জামতলী, কার্ড নং- ২৭২। এ ব্যাপারে ইউপি সচিব আব্দুল কদ্দুস জানান আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা ভিত্তিহীন আমি এর যথাযথ প্র্রমান দেখাব।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page