শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভূঞাপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি পার্কিংয়ের দায়ে তিনজনকে জরিমানা ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে ধরা পড়েছে ৩৩ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছ মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার গ্রেফতার-১ ভূঞাপুরে জুলাই যোদ্ধা ও ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য হাছানকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার ভূঞাপুরে তিন মাদকসেবীকে চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘাটাইল লোকেরপাড়া আলহাজ্ব হাফেজ শায়খ আনিসুর রহমান খান(রাহি:) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা মুহাম্মাদিয়া হাফিজিয়া ও নুরানী শিক্ষার্থীদের ছবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অবশেষে বদলি করা হলো  সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়া সেই পরিদর্শকাকে ভূঞাপুর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে পোস্ট সংবাদকর্মীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ভূঞাপুরে একটি ট্রাকভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ভূঞাপুরে যমুনায় অনুমোদনবিহীনভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৭ জনকে ৪ লাখ টাকা অর্থদন্ড
মির্জাপুরে বংশাই ও ঝিনাই নদীতে ব্যপক ভাঙন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এলাকাবাসী
/ ৩৯ Time View
Update : শনিবার, ৬ জুলাই, ২০১৯, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন

লোকাল নিউজ ডেস্ক : টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় বংশাই ও ঝিনাই নদীতে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে কুর্ণী-ফতেপুর সড়ক কালভার্টসহ প্রায় ৪০০ ফুট রাস্তা নদী গর্ভে চলে গেছে। ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ভাঙনের ফলে নদীর পাশে থাকা আবাদী জমির উপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। আগে যেখানে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৫০০ যানবাহন চলতো এখন সেখানে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, পিকআপ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। শুধুমাত্র স্থানীয়দের মোটরসাইকেল, সিএনজি চালিত অটোরিকশা, রিকশা ও ভ্যান চলাচল করছে।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় বংশাই ও ঝিনাই নদীতে ভাঙন সড়ক ও কালভার্ট

এলাকাবাসী জানান, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে বংশাই ও ঝিনাই নদীর পানি বৃদ্ধি শুরু হয়। এতে চাকলেশ্বর, থলপাড়া, বৈলানপুর-পাতিলাপাড়া এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয়। ভাঙনের তীব্রতার কারণে এরই মধ্যে রাস্তা, ঘরবাড়ি ও ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হিলরা বাজারের উত্তর পাশের অধিকাংশ স্থান ভেঙে গেছে। বাজারের পাশ দিয়ে এলজিইডি নির্মিত রাস্তা কালভার্টসহ ভেঙেছে। পানি বাড়ার পাশাপাশি নদী থেকে বালূ তোলায় ভাঙনের কারন বলে জানা গেছে। শুকনো মৌসুমে নদীর পার থেকে ভেকু দিয়ে মাটি কাটা এবং বর্ষা মৌসুমে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে প্রতিবছরইওই এলাকায় ভাঙন শুরু হয় এবং রাস্তাঘট, আবাদী জমীসহ ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।এর প্রতিকারে এখনো কার্যকরী কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

ফতেপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ খান জানান, কালভার্টের মাথায় পাইপ থাকাতে পানি চুইয়ে নদীতে পড়ায় কালভার্টের নীচ থেকে মাটি সরে যেতে থাকে। এছাড়া ব্যবসায়ীরা ড্রেজার দিয়ে একই স্থানে নদী থেকে বালু তোলে। ফলে হিলরা বাজারের উত্তর পাশসহ, কালভার্ট ও সড়ক নদীতে ভেঙে গেছে। থলপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী জুয়েল মিয়া বলেন, ওই এলাকা প্রতিবছরই নদী ভাঙনের শিকার হয়। কিন্তু ভাঙন রোধে কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেয় না কর্তৃপক্ষ। জরুরী ভিত্তিতে এর পদক্ষেপ নেয়া উচিত।

মির্জাপুর উপজেলা এলজিইডির উপসহকারি প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম ভূইয়া জানান, বিষয়টি নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page